ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

রাজনীতি

ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে চুমু দেব—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি নই: রাশেদ খাঁন

ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে চুমু দেব—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি নই: রাশেদ খাঁন
ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে চুমু দেব—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি নই: রাশেদ খাঁন

আমাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, আর আমি তাকে চুমু দেব—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি নই।’ মন্তব্যটি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, সোমবার এটিএন নিউজের একটি টকশোতে তিনি পুরো সময় গঠনমূলক বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অনুষ্ঠানের শেষ দিকে সারোয়ার তুষার তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন। তুষার তাকে উদ্দেশ করে বলেন, মিডিয়া দেখলে সবার আগে এবং পুলিশ দেখলে সবার পরে থাকতেন। এ কথা তাকে গণঅধিকার পরিষদের নেতারা বলেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, ওই নেতারা কারা—যারা গণঅভ্যুত্থানের পরপর এনসিপিতে যুক্ত হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনাকে কটূক্তির মামলায় তাকে কারাগারে যেতে হয়েছিল এবং ১৫ দিন রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হন। এ প্রসঙ্গে সারোয়ার তুষার তাকে বলেন, জেল তো চুরির মামলাতেও হয়। রাশেদের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে তিনি মনে করেন তুষারের কাছে জেল-জুলুমের কোনো মূল্য নেই।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি যুগপৎ আন্দোলনে রাজপথে ভূমিকা রেখেছেন। সে সময় সারোয়ার তুষারকে তিনি রাজপথে দেখেননি বলেও দাবি করেন।

২০২৪ সালের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি তখন ছাত্র ছিলেন না যে ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন। শেখ হাসিনা মানুষ হত্যা শুরু করলে আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারীদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমন্বয় করেন। তার মাধ্যমে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আখতার হোসেনদের সঙ্গে জাতিসংঘের বাংলাদেশ প্রতিনিধির বৈঠক হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন বলেন, ১৮ জুলাই তিনিই প্রথম দুই সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ও আহনাফ সাঈদ খানকে আন্দোলনে রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে মাঝখানে থেকে কাজ শুরু করেন। আহনাফ সাঈদ খানের কাছে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য লজিস্টিক সহায়তাও দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

পোস্টে রাশেদ খাঁন জানান, ১৯ জুলাই নুরুল হক নুরকে গ্রেপ্তারের পর তার বাসায় দুইবার অভিযান চালানো হয়। এরপর বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন সফল করার জন্য রাজনৈতিক কর্মপন্থা নির্ধারণে তিনি কাজ করেন বলে দাবি করেন।

তিনি প্রশ্ন করেন, ওই সময় আন্দোলন নিয়ে কাজ না করে গ্রেপ্তার হলে কি ‘নব্য বিপ্লবীরা’ খুশি হতো? একই সঙ্গে তিনি বলেন, সমন্বয়করাও আত্মগোপনে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, আন্দোলন প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে আন্দোলন শুরু করতে ৩১ জুলাই বিএনপিপন্থী শিক্ষক ও আইনজীবীরা হাইকোর্টের সামনে যে কর্মসূচিতে নামেন, সেটিও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার পরামর্শের ভিত্তিতে ঠিক করা হয়েছিল। ৩ আগস্ট গ্রেপ্তারের ঝুঁকি নিয়ে তিনি শহীদ মিনারে গিয়ে সমন্বয়কদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন বলেও জানান। তখনও তাকে গ্রেপ্তারের জন্য খোঁজা হচ্ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

টকশোর প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, সারোয়ার তুষার তাকে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোথায় ছিলেন—এ প্রশ্ন করেন। জবাবে তিনি বলেন, তারা নির্বাসিত ছিলেন এবং সেখান থেকে কাজ করেছেন। পরে তিনি তুষারকে প্রশ্ন করেন, তিনি কোথায় ছিলেন। তুষার জবাবে ১৯ জুলাই মাঠে থাকার কথা বলেন।

রাশেদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি তুষারকে আগে ও পরে কোথায় ছিলেন জানতে চাইলেও এর উত্তর না দিয়ে তাকে আক্রমণ করতে থাকেন এবং বেয়াদব ও মিথ্যুক বলেন। প্রথমবার তিনি কোনো জবাব দেননি। তবে দ্বিতীয়বার বেয়াদব বলার পর তিনি পাল্টা জবাব দেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন ইমতিয়াজ মির্জার একটি লেখারও উল্লেখ করেন। সেখানে ইমতিয়াজ মির্জা দাবি করেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির দিকে সারোয়ার তুষারকে তাদের ‘ProgressiveBAF’ গ্রুপে যুক্ত করা হয়েছিল। জুলাইয়ে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমের কেন্দ্র ছিল ওই গ্রুপ। আগস্টের ২-৩ তারিখে আওয়ামী লীগ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে থাকা ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হবে—এমন গুজব ছড়ানোর পর সারোয়ার তুষার গ্রুপ ছেড়ে দেন বলেও তিনি দাবি করেন।

ইমতিয়াজ মির্জার ওই পোস্টের মন্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৯ দফার ঘোষক আব্দুল কাদের সারোয়ার তুষারকে নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, তুষার এখন জুলাইয়ের সবচেয়ে বড় ধ্বজাধারী এবং সবাইকে জ্ঞান দিয়ে বেড়ান। অভ্যুত্থানের আগে বা পরে তিনি সারোয়ার তুষারকে সেভাবে চিনতেন না বলেও মন্তব্য করেন।

সবশেষে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, আর আমি তাকে চুমু দিবো—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি না।’ তিনি আরও বলেন, ভদ্রতা অপর পক্ষ থেকে এলে তার পক্ষ থেকেও আরও বেশি ভদ্রতা থাকবে। একই সঙ্গে ‘নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি’র কথা বলে ‘ভণ্ডবস্তের রাজনীতি’র সূচনা না করার আহ্বান জানান তিনি।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে চুমু দেব—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি নই: রাশেদ খাঁন

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

আমাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, আর আমি তাকে চুমু দেব—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি নই।’ মন্তব্যটি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, সোমবার এটিএন নিউজের একটি টকশোতে তিনি পুরো সময় গঠনমূলক বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অনুষ্ঠানের শেষ দিকে সারোয়ার তুষার তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন। তুষার তাকে উদ্দেশ করে বলেন, মিডিয়া দেখলে সবার আগে এবং পুলিশ দেখলে সবার পরে থাকতেন। এ কথা তাকে গণঅধিকার পরিষদের নেতারা বলেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, ওই নেতারা কারা—যারা গণঅভ্যুত্থানের পরপর এনসিপিতে যুক্ত হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনাকে কটূক্তির মামলায় তাকে কারাগারে যেতে হয়েছিল এবং ১৫ দিন রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হন। এ প্রসঙ্গে সারোয়ার তুষার তাকে বলেন, জেল তো চুরির মামলাতেও হয়। রাশেদের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে তিনি মনে করেন তুষারের কাছে জেল-জুলুমের কোনো মূল্য নেই।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি যুগপৎ আন্দোলনে রাজপথে ভূমিকা রেখেছেন। সে সময় সারোয়ার তুষারকে তিনি রাজপথে দেখেননি বলেও দাবি করেন।

২০২৪ সালের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি তখন ছাত্র ছিলেন না যে ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন। শেখ হাসিনা মানুষ হত্যা শুরু করলে আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারীদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমন্বয় করেন। তার মাধ্যমে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আখতার হোসেনদের সঙ্গে জাতিসংঘের বাংলাদেশ প্রতিনিধির বৈঠক হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন বলেন, ১৮ জুলাই তিনিই প্রথম দুই সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ও আহনাফ সাঈদ খানকে আন্দোলনে রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে মাঝখানে থেকে কাজ শুরু করেন। আহনাফ সাঈদ খানের কাছে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য লজিস্টিক সহায়তাও দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

পোস্টে রাশেদ খাঁন জানান, ১৯ জুলাই নুরুল হক নুরকে গ্রেপ্তারের পর তার বাসায় দুইবার অভিযান চালানো হয়। এরপর বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন সফল করার জন্য রাজনৈতিক কর্মপন্থা নির্ধারণে তিনি কাজ করেন বলে দাবি করেন।

তিনি প্রশ্ন করেন, ওই সময় আন্দোলন নিয়ে কাজ না করে গ্রেপ্তার হলে কি ‘নব্য বিপ্লবীরা’ খুশি হতো? একই সঙ্গে তিনি বলেন, সমন্বয়করাও আত্মগোপনে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, আন্দোলন প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে আন্দোলন শুরু করতে ৩১ জুলাই বিএনপিপন্থী শিক্ষক ও আইনজীবীরা হাইকোর্টের সামনে যে কর্মসূচিতে নামেন, সেটিও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার পরামর্শের ভিত্তিতে ঠিক করা হয়েছিল। ৩ আগস্ট গ্রেপ্তারের ঝুঁকি নিয়ে তিনি শহীদ মিনারে গিয়ে সমন্বয়কদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন বলেও জানান। তখনও তাকে গ্রেপ্তারের জন্য খোঁজা হচ্ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

টকশোর প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, সারোয়ার তুষার তাকে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোথায় ছিলেন—এ প্রশ্ন করেন। জবাবে তিনি বলেন, তারা নির্বাসিত ছিলেন এবং সেখান থেকে কাজ করেছেন। পরে তিনি তুষারকে প্রশ্ন করেন, তিনি কোথায় ছিলেন। তুষার জবাবে ১৯ জুলাই মাঠে থাকার কথা বলেন।

রাশেদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি তুষারকে আগে ও পরে কোথায় ছিলেন জানতে চাইলেও এর উত্তর না দিয়ে তাকে আক্রমণ করতে থাকেন এবং বেয়াদব ও মিথ্যুক বলেন। প্রথমবার তিনি কোনো জবাব দেননি। তবে দ্বিতীয়বার বেয়াদব বলার পর তিনি পাল্টা জবাব দেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন ইমতিয়াজ মির্জার একটি লেখারও উল্লেখ করেন। সেখানে ইমতিয়াজ মির্জা দাবি করেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির দিকে সারোয়ার তুষারকে তাদের ‘ProgressiveBAF’ গ্রুপে যুক্ত করা হয়েছিল। জুলাইয়ে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমের কেন্দ্র ছিল ওই গ্রুপ। আগস্টের ২-৩ তারিখে আওয়ামী লীগ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে থাকা ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হবে—এমন গুজব ছড়ানোর পর সারোয়ার তুষার গ্রুপ ছেড়ে দেন বলেও তিনি দাবি করেন।

ইমতিয়াজ মির্জার ওই পোস্টের মন্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৯ দফার ঘোষক আব্দুল কাদের সারোয়ার তুষারকে নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, তুষার এখন জুলাইয়ের সবচেয়ে বড় ধ্বজাধারী এবং সবাইকে জ্ঞান দিয়ে বেড়ান। অভ্যুত্থানের আগে বা পরে তিনি সারোয়ার তুষারকে সেভাবে চিনতেন না বলেও মন্তব্য করেন।

সবশেষে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, আর আমি তাকে চুমু দিবো—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি না।’ তিনি আরও বলেন, ভদ্রতা অপর পক্ষ থেকে এলে তার পক্ষ থেকেও আরও বেশি ভদ্রতা থাকবে। একই সঙ্গে ‘নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি’র কথা বলে ‘ভণ্ডবস্তের রাজনীতি’র সূচনা না করার আহ্বান জানান তিনি।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে চুমু দেব—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি নই: রাশেদ খাঁন
0:00 0:00
1.0x