ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

সারাদেশ

পুকুর ইজারা নিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ।

পুকুর ইজারা নিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ।
সংগ্রহীত

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার সাতখামার ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধীন ঝলঝলি এলাকায় ১৬ দশমিক ৩৮ একর জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিরোধের মধ্যে আদালতের status quo বা স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশনা অমান্য করে পুকুর ইজারা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে। স্থানীয় এক মাছ চাষির কাছ থেকে পুকুর ইজারার কথা বলে ২ লাখ টাকা নেওয়া এবং মাছের পোনা ছাড়ার অনুমতি দেওয়ার অভিযোগের পর স্থানীয়দের বাধায় মাছের পোনা নিয়ে যাওয়া ট্রাক আটকে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, সাতখামার ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধীন সাতখামার মৌজায় ঝলঝলি গোরস্থান নামে মোট ১৬ দশমিক ৩৮ একর জমি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪ দশমিক ৫০ একরজুড়ে রয়েছে একটি পুকুর। দীর্ঘদিন ধরে পুকুরটি স্থানীয় মাছ চাষিদের ইজারা দেওয়া হতো এবং ইজারা থেকে পাওয়া অর্থ মাদ্রাসার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করার নামে কতিপয় ব্যক্তির পকেটে এই অর্থ পৌঁছে যেত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে।

যেভাবে জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত

সংশ্লিষ্ট নথি ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৩ সালে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কাগজপত্রের মাধ্যমে ওই জমি নিজেদের দখলে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে ভূমি জরিপ চলাকালে ওই জমির মালিকানার বৈধ কাগজপত্র না পাওয়ায় জরিপ কর্তৃপক্ষ জমিটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করে।

এরপর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সরকারকে বিবাদী করে পঞ্চগড় আদালতে মামলা দায়ের করে। মামলায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষে জমির বৈধ মালিকানার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় আদালত জমিটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তের পক্ষে রায় দেয়।

পরবর্তীতে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করে। আপিল চলাকালে হাইকোর্ট মামলার সম্পত্তির বিষয়ে স্থিতাবস্থা বা status quo বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

আদালতের আদেশে মামলার সম্পত্তি খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা, জমির প্রকৃতি পরিবর্তন, পুকুরে মাছ ধরা, পুকুরের পাড়ের গাছ কাটা, সম্পত্তির ক্ষতিসাধন এবং বাদীর শান্তিপূর্ণ দখলে হস্তক্ষেপের মতো কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তির দখল ও বর্তমান অবস্থান বজায় রাখার কথাও আদেশে বলা হয়েছে।

এরপরও পুকুর ইজারার অভিযোগ

আদালতের ওই নির্দেশনা চলমান থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিম স্থানীয় মাছ চাষি সবুজের কাছে পুকুরটি ইজারা দেওয়ার কথা বলে ২ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে সবুজ ট্রাকে করে মাছের পোনা নিয়ে পুকুরে ছাড়তে গেলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। এ সময় মাছ চাষি ও স্থানীয়দের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় বাসিন্দার প্রশ্ন:

স্থানীয় বাসিন্দা মানিক বলেন, “আমার বাড়ি ঝলঝলি পুকুরের পাশে। যতদূর জানি, পুকুরটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকার ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলমান। 

সাবেক ইজারাদারের অভিযোগ:

মামলা চলাকালীন পূর্বে পুকুরটি ইজারা নেওয়া চাষি মো. রশিদুল ইসলাম বলেন, “মামলা চলাকালীন সময়ে মামলার পুরো খরচ আমি বহন করেছি। পরে মামলায় মাদ্রাসার বিপক্ষে রায় হওয়ার পর আপিল করা হলে আমার ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস আগেই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিম আমার কাছ থেকে পুকুরটি বুঝে নেন। এতে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হই।”

২ লাখ টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার মাছ চাষির:

মাছ চাষি সবুজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিমকে পুকুর ইজারার বাবদ ২ লাখ টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তাঁর দাবি, পুকুরে মাছ চাষের অনুমতি পাওয়ার পরই তিনি মাছের পোনা নিয়ে সেখানে যান।

অধ্যক্ষের বক্তব্য:

অভিযোগের বিষয়ে সাতখামার ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিম বলেন, “আমি কোর্টের অর্ডারটি ভালোভাবে পড়িনি, আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। একজন ব্যারিস্টার আমাকে জানিয়েছেন যে, আমি এই পুকুর ইজারা দিতে পারব। যেহেতু মাসখানেকের মধ্যে নতুন কমিটি আসছে, তাই নিজ ক্ষমতাবলে আমি পুকুরে মাছ ছাড়ার জন্য মাছ এনেছি।”

তবে ২ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অসত্য।”

এলাকার সাবেক কাউন্সিলর এর বক্তব্য:

স্থানীয় সাবেক বোদা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহজাহান সিরাজ বলেন, “এই পুকুর আমাদের এলাকার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের প্রতীক। পুকুর ইজারা এবং মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও আদালতের আদেশের বিষয়টি আমি শুনেছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনে আমি নিজেই বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেব।”

এদিকে, আদালতের status quo আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় পুকুর ইজারা দেওয়া, ইজারার টাকা গ্রহণ এবং মাছ চাষের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এককভাবে পুকুর ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কি না এবং এ বিষয়ে মাদ্রাসার এডহক কমিটির কোনো অনুমোদন বা রেজুলেশন ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। পাশাপাশি আদালতের আদেশের আলোকে মামলার সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা এবং পুকুর ইজারা দেওয়ার বৈধতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


পুকুর ইজারা নিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ।

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার সাতখামার ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধীন ঝলঝলি এলাকায় ১৬ দশমিক ৩৮ একর জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিরোধের মধ্যে আদালতের status quo বা স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশনা অমান্য করে পুকুর ইজারা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে। স্থানীয় এক মাছ চাষির কাছ থেকে পুকুর ইজারার কথা বলে ২ লাখ টাকা নেওয়া এবং মাছের পোনা ছাড়ার অনুমতি দেওয়ার অভিযোগের পর স্থানীয়দের বাধায় মাছের পোনা নিয়ে যাওয়া ট্রাক আটকে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, সাতখামার ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধীন সাতখামার মৌজায় ঝলঝলি গোরস্থান নামে মোট ১৬ দশমিক ৩৮ একর জমি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪ দশমিক ৫০ একরজুড়ে রয়েছে একটি পুকুর। দীর্ঘদিন ধরে পুকুরটি স্থানীয় মাছ চাষিদের ইজারা দেওয়া হতো এবং ইজারা থেকে পাওয়া অর্থ মাদ্রাসার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করার নামে কতিপয় ব্যক্তির পকেটে এই অর্থ পৌঁছে যেত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে।

যেভাবে জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত

সংশ্লিষ্ট নথি ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৩ সালে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কাগজপত্রের মাধ্যমে ওই জমি নিজেদের দখলে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে ভূমি জরিপ চলাকালে ওই জমির মালিকানার বৈধ কাগজপত্র না পাওয়ায় জরিপ কর্তৃপক্ষ জমিটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করে।

এরপর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সরকারকে বিবাদী করে পঞ্চগড় আদালতে মামলা দায়ের করে। মামলায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষে জমির বৈধ মালিকানার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় আদালত জমিটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তের পক্ষে রায় দেয়।

পরবর্তীতে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করে। আপিল চলাকালে হাইকোর্ট মামলার সম্পত্তির বিষয়ে স্থিতাবস্থা বা status quo বজায় রাখার নির্দেশ দেন।


আদালতের আদেশে মামলার সম্পত্তি খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা, জমির প্রকৃতি পরিবর্তন, পুকুরে মাছ ধরা, পুকুরের পাড়ের গাছ কাটা, সম্পত্তির ক্ষতিসাধন এবং বাদীর শান্তিপূর্ণ দখলে হস্তক্ষেপের মতো কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তির দখল ও বর্তমান অবস্থান বজায় রাখার কথাও আদেশে বলা হয়েছে।

এরপরও পুকুর ইজারার অভিযোগ

আদালতের ওই নির্দেশনা চলমান থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিম স্থানীয় মাছ চাষি সবুজের কাছে পুকুরটি ইজারা দেওয়ার কথা বলে ২ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে সবুজ ট্রাকে করে মাছের পোনা নিয়ে পুকুরে ছাড়তে গেলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। এ সময় মাছ চাষি ও স্থানীয়দের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় বাসিন্দার প্রশ্ন:

স্থানীয় বাসিন্দা মানিক বলেন, “আমার বাড়ি ঝলঝলি পুকুরের পাশে। যতদূর জানি, পুকুরটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকার ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলমান। 

সাবেক ইজারাদারের অভিযোগ:

মামলা চলাকালীন পূর্বে পুকুরটি ইজারা নেওয়া চাষি মো. রশিদুল ইসলাম বলেন, “মামলা চলাকালীন সময়ে মামলার পুরো খরচ আমি বহন করেছি। পরে মামলায় মাদ্রাসার বিপক্ষে রায় হওয়ার পর আপিল করা হলে আমার ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস আগেই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিম আমার কাছ থেকে পুকুরটি বুঝে নেন। এতে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হই।”

২ লাখ টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার মাছ চাষির:

মাছ চাষি সবুজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিমকে পুকুর ইজারার বাবদ ২ লাখ টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তাঁর দাবি, পুকুরে মাছ চাষের অনুমতি পাওয়ার পরই তিনি মাছের পোনা নিয়ে সেখানে যান।

অধ্যক্ষের বক্তব্য:

অভিযোগের বিষয়ে সাতখামার ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিম বলেন, “আমি কোর্টের অর্ডারটি ভালোভাবে পড়িনি, আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। একজন ব্যারিস্টার আমাকে জানিয়েছেন যে, আমি এই পুকুর ইজারা দিতে পারব। যেহেতু মাসখানেকের মধ্যে নতুন কমিটি আসছে, তাই নিজ ক্ষমতাবলে আমি পুকুরে মাছ ছাড়ার জন্য মাছ এনেছি।”

তবে ২ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অসত্য।”

এলাকার সাবেক কাউন্সিলর এর বক্তব্য:

স্থানীয় সাবেক বোদা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহজাহান সিরাজ বলেন, “এই পুকুর আমাদের এলাকার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের প্রতীক। পুকুর ইজারা এবং মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও আদালতের আদেশের বিষয়টি আমি শুনেছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনে আমি নিজেই বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেব।”

এদিকে, আদালতের status quo আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় পুকুর ইজারা দেওয়া, ইজারার টাকা গ্রহণ এবং মাছ চাষের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এককভাবে পুকুর ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কি না এবং এ বিষয়ে মাদ্রাসার এডহক কমিটির কোনো অনুমোদন বা রেজুলেশন ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। পাশাপাশি আদালতের আদেশের আলোকে মামলার সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা এবং পুকুর ইজারা দেওয়ার বৈধতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
পুকুর ইজারা নিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ।
0:00 0:00
1.0x