বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানান।
সিআইডি জানিয়েছে, সাইবার মনিটরিংয়ের সময় দেশ ও বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন অনলাইন বেটিং সাইটের কার্যক্রম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব সাইটের বিজ্ঞাপন প্রচারের তথ্য পাওয়া যায়। এসব প্ল্যাটফর্মে ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাকে কেন্দ্র করে অর্থের বিনিময়ে বেটিং ও অনলাইন ক্যাসিনো চালানোর তথ্যও পাওয়া গেছে।
তদন্তে জানা গেছে, গ্রেফতার ব্যক্তিরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন জুয়ার এজেন্ট নিয়োগ করতেন। পরে তাদের এমএফএস নম্বর ও ব্যাংক হিসাব সংগ্রহ করে বেটিং সাইটের সঙ্গে যুক্ত করা হতো। এসব হিসাব ব্যবহার করে জুয়ার অর্থ গ্রহণ ও উত্তোলন করা হতো। এরপর কমিশন রেখে বাকি অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো বলে সিআইডির তদন্তে তথ্য উঠে এসেছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিআইডি জানতে পেরেছে, সৈয়দ জামান রাশিয়া থেকে পরিচালিত একটি অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। দুই আসামিই নিজেদের নামে নিবন্ধিত এজেন্ট সিমের পাশাপাশি অন্যদের সিম সংগ্রহ করে জুয়া সাইটের সঙ্গে যুক্ত করার কাজে জড়িত ছিলেন। একই সঙ্গে অর্থ জমা ও উত্তোলন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণেও তারা ভূমিকা রাখতেন বলে জানিয়েছে সিআইডি।
এই মামলায় এর আগে আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার। চক্রটির দেশি-বিদেশি সহযোগী ও এজেন্টদের পাশাপাশি অর্থ লেনদেনে ব্যবহৃত ব্যাংক ও এমএফএস হিসাবের মালিকদের শনাক্তের কাজ চলছে।
গ্রেফতার দুজনকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সূত্র: যুগান্তর

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানান।
সিআইডি জানিয়েছে, সাইবার মনিটরিংয়ের সময় দেশ ও বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন অনলাইন বেটিং সাইটের কার্যক্রম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব সাইটের বিজ্ঞাপন প্রচারের তথ্য পাওয়া যায়। এসব প্ল্যাটফর্মে ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাকে কেন্দ্র করে অর্থের বিনিময়ে বেটিং ও অনলাইন ক্যাসিনো চালানোর তথ্যও পাওয়া গেছে।
তদন্তে জানা গেছে, গ্রেফতার ব্যক্তিরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন জুয়ার এজেন্ট নিয়োগ করতেন। পরে তাদের এমএফএস নম্বর ও ব্যাংক হিসাব সংগ্রহ করে বেটিং সাইটের সঙ্গে যুক্ত করা হতো। এসব হিসাব ব্যবহার করে জুয়ার অর্থ গ্রহণ ও উত্তোলন করা হতো। এরপর কমিশন রেখে বাকি অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো বলে সিআইডির তদন্তে তথ্য উঠে এসেছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিআইডি জানতে পেরেছে, সৈয়দ জামান রাশিয়া থেকে পরিচালিত একটি অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। দুই আসামিই নিজেদের নামে নিবন্ধিত এজেন্ট সিমের পাশাপাশি অন্যদের সিম সংগ্রহ করে জুয়া সাইটের সঙ্গে যুক্ত করার কাজে জড়িত ছিলেন। একই সঙ্গে অর্থ জমা ও উত্তোলন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণেও তারা ভূমিকা রাখতেন বলে জানিয়েছে সিআইডি।
এই মামলায় এর আগে আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার। চক্রটির দেশি-বিদেশি সহযোগী ও এজেন্টদের পাশাপাশি অর্থ লেনদেনে ব্যবহৃত ব্যাংক ও এমএফএস হিসাবের মালিকদের শনাক্তের কাজ চলছে।
গ্রেফতার দুজনকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সূত্র: যুগান্তর

আপনার মতামত লিখুন