সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে একটি চায়ের দোকানের সামনে মো. মনজুরুল ইসলাম (২৪) নামে এক যুবককে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল এ হামলা চালায় বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মনজুরুল ওই এলাকার বাসিন্দা খোকনের ছেলে। তিনি দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে। তবে কারা এবং কী কারণে তাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার খবর পেয়ে লবণচরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. রেজাউর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি উপস্থিত রয়েছেন। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর একই এলাকায় আবারও গুলির ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাজমুল (২৫) নামে এক যুবককে গুলি করা হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দৌড়ে একটি বাড়ির গলিতে গিয়ে পড়ে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সৈয়দ মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কারা নাজমুলকে গুলি করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। নিহত যুবকের নাম নাজমুল—এটুকু নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এর আগে একই দিন বিকেল পৌনে ৬টার দিকে ওই এলাকার সুজন হাওলাদারের চায়ের দোকানের সামনে রাজমিস্ত্রি মো. মনজুরুল ইসলাম (২৩)-এর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী আলামিন হাসান সাইফির নেতৃত্বে কালা রায়হান, শামীম, ফারদিনসহ ৮ থেকে ১০ জন মনজুরুলের ওপর গুলি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি ধারালো অস্ত্রের আঘাতেও গুরুতর আহত হন। পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একই এলাকায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে।
এদিকে নিহত দুই যুবকের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সূত্র: মানবজমিন।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে একটি চায়ের দোকানের সামনে মো. মনজুরুল ইসলাম (২৪) নামে এক যুবককে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল এ হামলা চালায় বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মনজুরুল ওই এলাকার বাসিন্দা খোকনের ছেলে। তিনি দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে। তবে কারা এবং কী কারণে তাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার খবর পেয়ে লবণচরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. রেজাউর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি উপস্থিত রয়েছেন। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর একই এলাকায় আবারও গুলির ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাজমুল (২৫) নামে এক যুবককে গুলি করা হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দৌড়ে একটি বাড়ির গলিতে গিয়ে পড়ে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সৈয়দ মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কারা নাজমুলকে গুলি করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। নিহত যুবকের নাম নাজমুল—এটুকু নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এর আগে একই দিন বিকেল পৌনে ৬টার দিকে ওই এলাকার সুজন হাওলাদারের চায়ের দোকানের সামনে রাজমিস্ত্রি মো. মনজুরুল ইসলাম (২৩)-এর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী আলামিন হাসান সাইফির নেতৃত্বে কালা রায়হান, শামীম, ফারদিনসহ ৮ থেকে ১০ জন মনজুরুলের ওপর গুলি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি ধারালো অস্ত্রের আঘাতেও গুরুতর আহত হন। পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একই এলাকায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে।
এদিকে নিহত দুই যুবকের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সূত্র: মানবজমিন।

আপনার মতামত লিখুন