ঢাকা    শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

অপরাধ

সুনামগঞ্জে শিশুকে হত্যার অভিযোগ, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার দাবি সৎমায়ের বিরুদ্ধে

সুনামগঞ্জে শিশুকে হত্যার অভিযোগ, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার দাবি সৎমায়ের বিরুদ্ধে
সুনামগঞ্জে শিশুকে হত্যার অভিযোগ, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার দাবি সৎমায়ের বিরুদ্ধে

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় জাকিয়া আক্তার নিহা নামে সাত বছরের এক শিশুকে হত্যার পর নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার সৎমা আম্বিয়া বেগমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে আম্বিয়া বেগমকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত শিশুর বাবার নাম তাজ উদ্দিন। সদর উপজেলার কুরবাননগর ইউনিয়নের গোদারগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, গোদারগাঁও গ্রামের রাজমিস্ত্রি তাজ উদ্দিনের প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি আম্বিয়া বেগমকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রথম পক্ষের সন্তানদের নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

গত ১৭ আগস্ট সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে শিশু নিহা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এর আগে সৎমা আম্বিয়া বেগম জোর করে তাকে সুরমা নদীতে গোসল করাতে নিয়ে যান। পরে নিহা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শিশুটির বাবা।

এরপর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সুরমা নদীতে তল্লাশি শুরু করে। পরদিন ১৯ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের কাছে সুরমা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় নিহার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের পর শিশুটির ডান উরুর ওপর ও নিচে দুটি গুরুতর কাটা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় আম্বিয়া বেগম শিশুটিকে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রতন শেখ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আম্বিয়া বেগম তার সৎমেয়ে জাকিয়া আক্তার নিহাকে হত্যার পর বাড়ির পাশের সুরমা নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যার প্রকৃত কারণ, ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না এবং শিশুটির মৃত্যুর পুরো ঘটনা কীভাবে ঘটেছে—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এর আগে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় হাওরে ফেলে এক বাবার হাতে দুই শিশু হত্যার ঘটনা ঘটে। পরপর এমন দুটি ঘটনায় শিশুদের নিরাপত্তা ও পারিবারিক সহিংসতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

সূত্র: মানবজমিন

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬


সুনামগঞ্জে শিশুকে হত্যার অভিযোগ, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার দাবি সৎমায়ের বিরুদ্ধে

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় জাকিয়া আক্তার নিহা নামে সাত বছরের এক শিশুকে হত্যার পর নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার সৎমা আম্বিয়া বেগমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে আম্বিয়া বেগমকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত শিশুর বাবার নাম তাজ উদ্দিন। সদর উপজেলার কুরবাননগর ইউনিয়নের গোদারগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, গোদারগাঁও গ্রামের রাজমিস্ত্রি তাজ উদ্দিনের প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি আম্বিয়া বেগমকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রথম পক্ষের সন্তানদের নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

গত ১৭ আগস্ট সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে শিশু নিহা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এর আগে সৎমা আম্বিয়া বেগম জোর করে তাকে সুরমা নদীতে গোসল করাতে নিয়ে যান। পরে নিহা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শিশুটির বাবা।

এরপর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সুরমা নদীতে তল্লাশি শুরু করে। পরদিন ১৯ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের কাছে সুরমা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় নিহার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের পর শিশুটির ডান উরুর ওপর ও নিচে দুটি গুরুতর কাটা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় আম্বিয়া বেগম শিশুটিকে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রতন শেখ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আম্বিয়া বেগম তার সৎমেয়ে জাকিয়া আক্তার নিহাকে হত্যার পর বাড়ির পাশের সুরমা নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যার প্রকৃত কারণ, ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না এবং শিশুটির মৃত্যুর পুরো ঘটনা কীভাবে ঘটেছে—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এর আগে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় হাওরে ফেলে এক বাবার হাতে দুই শিশু হত্যার ঘটনা ঘটে। পরপর এমন দুটি ঘটনায় শিশুদের নিরাপত্তা ও পারিবারিক সহিংসতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

সূত্র: মানবজমিন


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সুনামগঞ্জে শিশুকে হত্যার অভিযোগ, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার দাবি সৎমায়ের বিরুদ্ধে
0:00 0:00
1.0x