জানা গেছে, সৌভিক মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কুষ্টিয়ার রাজারহাটপুরের বাড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ক্যাম্পাসে আসেন। পরে ক্যাম্পাস থেকে ঝিনাইদহগামী একটি বাসে ওঠেন এবং এরপর খুলনায় তার মাসির বাসায় যান। ওইদিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাসা থেকে বের হন।
সৌভিকের মা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুঠোফোনে তার সঙ্গে কথা হয়। তখন সৌভিক জানান, তিনি কোনো বাস বা ট্রেন পাচ্ছেন না। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। পরে পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীরা তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি।
সৌভিক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় খুলনার দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে একই বাসা থেকে তার মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রীও নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে বাসা থেকে বের হন। তবে তার নিখোঁজের ঘটনায় এখনো থানায় জিডি করা হয়নি।
দৌলতপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সৌভিকের ফোন বন্ধ হওয়ার পর তার মাসতুতো ভাই থানায় আসেন। তিনি জানান, তার স্ত্রীও ওইদিন নিখোঁজ হয়েছেন। একই সময়ে দুজনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে বলে পুলিশ ও পরিবারের ধারণা। সৌভিককে পাওয়া গেলে তার স্ত্রীকেও একসঙ্গে পাওয়া যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে অবহিত করা হয়েছে। সৌভিকের বাবা কুষ্টিয়ায় জিডি করতে গিয়েছিলেন। পরে তার সর্বশেষ অবস্থান দৌলতপুর এলাকায় জানা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে জিডি করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের বরাত দিয়ে সৌভিকের মাসতুতো ভাই কমল জানান, সৌভিক তার বাসা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বের হন। এরপর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তার স্ত্রীও বাসা থেকে বের হন। বর্তমানে দুজনই নিখোঁজ রয়েছেন। সৌভিকের জন্য জিডি করা হয়েছে এবং তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলে তার স্ত্রীর নিখোঁজের বিষয়েও জিডি করা হবে বলে জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই থানা ও বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। তবে পরে মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রীও নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এতে ঘটনাটি ভিন্ন কোনো দিকেও যেতে পারে বলে তিনি জানান। শিক্ষার্থীকে খুঁজে বের করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
জানা গেছে, সৌভিক মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কুষ্টিয়ার রাজারহাটপুরের বাড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ক্যাম্পাসে আসেন। পরে ক্যাম্পাস থেকে ঝিনাইদহগামী একটি বাসে ওঠেন এবং এরপর খুলনায় তার মাসির বাসায় যান। ওইদিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাসা থেকে বের হন।
সৌভিকের মা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুঠোফোনে তার সঙ্গে কথা হয়। তখন সৌভিক জানান, তিনি কোনো বাস বা ট্রেন পাচ্ছেন না। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। পরে পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীরা তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি।
সৌভিক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় খুলনার দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে একই বাসা থেকে তার মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রীও নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে বাসা থেকে বের হন। তবে তার নিখোঁজের ঘটনায় এখনো থানায় জিডি করা হয়নি।
দৌলতপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সৌভিকের ফোন বন্ধ হওয়ার পর তার মাসতুতো ভাই থানায় আসেন। তিনি জানান, তার স্ত্রীও ওইদিন নিখোঁজ হয়েছেন। একই সময়ে দুজনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে বলে পুলিশ ও পরিবারের ধারণা। সৌভিককে পাওয়া গেলে তার স্ত্রীকেও একসঙ্গে পাওয়া যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে অবহিত করা হয়েছে। সৌভিকের বাবা কুষ্টিয়ায় জিডি করতে গিয়েছিলেন। পরে তার সর্বশেষ অবস্থান দৌলতপুর এলাকায় জানা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে জিডি করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের বরাত দিয়ে সৌভিকের মাসতুতো ভাই কমল জানান, সৌভিক তার বাসা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বের হন। এরপর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তার স্ত্রীও বাসা থেকে বের হন। বর্তমানে দুজনই নিখোঁজ রয়েছেন। সৌভিকের জন্য জিডি করা হয়েছে এবং তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলে তার স্ত্রীর নিখোঁজের বিষয়েও জিডি করা হবে বলে জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই থানা ও বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। তবে পরে মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রীও নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এতে ঘটনাটি ভিন্ন কোনো দিকেও যেতে পারে বলে তিনি জানান। শিক্ষার্থীকে খুঁজে বের করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস

আপনার মতামত লিখুন