শুক্রবার (২১ আগস্ট) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের নিয়মিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে এলাকার দীর্ঘদিনের কুখ্যাত সন্ত্রাসী শেখ সিফাত তার সহযোগীদের নিয়ে মুজাহিদুল ইসলাম বুলবুলের ওপর হামলা চালায়। তার বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে। তবে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই বুলবুলকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা হলেও তাদের শাস্তি নিশ্চিত হবে কি না, তা নিয়ে তিনি ও দেশের মানুষ সন্দিহান।
সরকারের উদ্দেশে চরমোনাই পীর বলেন, এই সন্ত্রাসী ও তার সহযোগীদের শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের উদাসীনতা দেখা দিলে কিংবা আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে দেশজুড়ে ক্ষোভের দাবানল ছড়িয়ে পড়বে। তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কঠোর অবস্থান নিতে হবে।
সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ এবং দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের নিয়মিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে এলাকার দীর্ঘদিনের কুখ্যাত সন্ত্রাসী শেখ সিফাত তার সহযোগীদের নিয়ে মুজাহিদুল ইসলাম বুলবুলের ওপর হামলা চালায়। তার বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে। তবে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই বুলবুলকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা হলেও তাদের শাস্তি নিশ্চিত হবে কি না, তা নিয়ে তিনি ও দেশের মানুষ সন্দিহান।
সরকারের উদ্দেশে চরমোনাই পীর বলেন, এই সন্ত্রাসী ও তার সহযোগীদের শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের উদাসীনতা দেখা দিলে কিংবা আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে দেশজুড়ে ক্ষোভের দাবানল ছড়িয়ে পড়বে। তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কঠোর অবস্থান নিতে হবে।
সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ এবং দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন