গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বাউফল উপজেলার মো. সুমন মৃধা (৩০) এবং বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মোসা. তানিয়া বেগম (৩৩)। তানিয়া বর্তমানে বাউফল এলাকায় বসবাস করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে বাউফল থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল মাদকবিরোধী অভিযানে বের হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মদনপুরা ইউনিয়নের দক্ষিণ চন্দ্রপাড়া (আদর্শপাড়া) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাউফল-কালিশুরী সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে সুমন মৃধাকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ওই ইয়াবা তানিয়া বেগমের কাছ থেকে কিনেছেন বলে পুলিশকে জানান।
এরপর সুমনকে সঙ্গে নিয়ে একই ইউনিয়নের দক্ষিণ চন্দ্রপাড়া এলাকায় জনৈক জহিরুল ইসলাম বেপারীর মালিকানাধীন ‘মা-বাবা মঞ্জিল’-এর দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তানিয়া বেগমকে আটক করা হয়। পরে তার দেখানো স্থান থেকে আরও ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই অভিযানে মোট ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ৮ হাজার ১০০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য চার লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় বাউফল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার সুমন মৃধার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
বাউফল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের সঙ্গে আরও কোনো মাদক কারবারি বা সহযোগী জড়িত রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: বাউফল থানা পুলিশ

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বাউফল উপজেলার মো. সুমন মৃধা (৩০) এবং বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মোসা. তানিয়া বেগম (৩৩)। তানিয়া বর্তমানে বাউফল এলাকায় বসবাস করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে বাউফল থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল মাদকবিরোধী অভিযানে বের হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মদনপুরা ইউনিয়নের দক্ষিণ চন্দ্রপাড়া (আদর্শপাড়া) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাউফল-কালিশুরী সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে সুমন মৃধাকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ওই ইয়াবা তানিয়া বেগমের কাছ থেকে কিনেছেন বলে পুলিশকে জানান।
এরপর সুমনকে সঙ্গে নিয়ে একই ইউনিয়নের দক্ষিণ চন্দ্রপাড়া এলাকায় জনৈক জহিরুল ইসলাম বেপারীর মালিকানাধীন ‘মা-বাবা মঞ্জিল’-এর দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তানিয়া বেগমকে আটক করা হয়। পরে তার দেখানো স্থান থেকে আরও ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই অভিযানে মোট ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ৮ হাজার ১০০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য চার লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় বাউফল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার সুমন মৃধার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
বাউফল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের সঙ্গে আরও কোনো মাদক কারবারি বা সহযোগী জড়িত রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: বাউফল থানা পুলিশ

আপনার মতামত লিখুন