ঐতিহাসিক কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ, স্থানীয় মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কটির বেহাল দশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাধারণ জনগণ ও আগত পর্যটকরা। বরিশাল সদর উপজেলার ২ নং ওয়ার্ডের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি (নবগ্রাম রোডের আমাজাদ খানের বাড়ি থেকে মিয়াবাড়ির মসজিদ সড়ক) অবিলম্বে টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন মিয়া পরিবারের সদস্য, ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজকর্মী ফেরদৌস উর রহমান সাগর।
এক বিবৃতিতে তিনি জানান, প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ মুসল্লি এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। ঐতিহ্যবাহী মিয়াবাড়ি মসজিদ দেখতে দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করেন। এমনকি অতীতে আমেরিকা ও ভারতের রাষ্ট্রদূতসহ বহু আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব এই ঐতিহ্যবাহী স্থান পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে কাঁদাপানি ও বড় বড় গর্তের কারণে রাস্তাটি চলাচলের একদম অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অতীতে কেবল একবার ইটের সলিং করা হয়েছিল, যা বর্তমানে নষ্ট হয়ে গেছে। পরবর্তীতে এলজিইডি থেকে সড়ক নির্মাণের প্রকল্প পাশ হলেও অজ্ঞাত কারণে কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ বছর ধরে স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ ও দর্শনার্থীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
ঐতিহাসিক কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ, স্থানীয় মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কটির বেহাল দশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাধারণ জনগণ ও আগত পর্যটকরা। বরিশাল সদর উপজেলার ২ নং ওয়ার্ডের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি (নবগ্রাম রোডের আমাজাদ খানের বাড়ি থেকে মিয়াবাড়ির মসজিদ সড়ক) অবিলম্বে টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন মিয়া পরিবারের সদস্য, ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজকর্মী ফেরদৌস উর রহমান সাগর।
এক বিবৃতিতে তিনি জানান, প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ মুসল্লি এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। ঐতিহ্যবাহী মিয়াবাড়ি মসজিদ দেখতে দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করেন। এমনকি অতীতে আমেরিকা ও ভারতের রাষ্ট্রদূতসহ বহু আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব এই ঐতিহ্যবাহী স্থান পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে কাঁদাপানি ও বড় বড় গর্তের কারণে রাস্তাটি চলাচলের একদম অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অতীতে কেবল একবার ইটের সলিং করা হয়েছিল, যা বর্তমানে নষ্ট হয়ে গেছে। পরবর্তীতে এলজিইডি থেকে সড়ক নির্মাণের প্রকল্প পাশ হলেও অজ্ঞাত কারণে কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ বছর ধরে স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ ও দর্শনার্থীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

আপনার মতামত লিখুন