সোমবার বিকেলে কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে গভীর সাগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির মালিক পাথরঘাটার আশরাফ কোম্পানি। ট্রলারে থাকা ১৩ জেলের বাড়ি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন—পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের নুর আলম (৩৭), কাওসার (৩০), সাইকুল (৩৩), ইব্রাহিম (২৮) ও বেল্লাল (২২)।
উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা জানান, দুর্ঘটনার সময় সাগরে ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে প্রচণ্ড ঢেউ ছিল। জাল ফেলার প্রস্তুতির সময় কয়েকজন জেলে ক্লান্ত হয়ে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। হঠাৎ একটি বড় ঢেউ ট্রলারে আঘাত করলে সেটি উল্টে যায়। এ সময় ব্রিজের ভেতরে আটকে পড়া এক জেলে প্রায় ২০ মিনিট পর বের হতে সক্ষম হন।
ইউনুস মোল্লা আরও জানান, ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার পর আটজন জেলে প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে ছিলেন। পরে কাছ দিয়ে যাওয়া আরেকটি মাছ ধরার ট্রলার তাদের উদ্ধার করে। তবে তখন সঙ্গে থাকা পাঁচ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘এফবি বরকত’ দুই দিন আগে পাথরঘাটা থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সাগরে যায়। সোমবার বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে।
তিনি জানান, নিখোঁজ পাঁচ জেলের সন্ধানে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে একটি ট্রলার সমুদ্রে পাঠানো হয়েছে। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
সোমবার বিকেলে কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে গভীর সাগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির মালিক পাথরঘাটার আশরাফ কোম্পানি। ট্রলারে থাকা ১৩ জেলের বাড়ি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন—পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের নুর আলম (৩৭), কাওসার (৩০), সাইকুল (৩৩), ইব্রাহিম (২৮) ও বেল্লাল (২২)।
উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা জানান, দুর্ঘটনার সময় সাগরে ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে প্রচণ্ড ঢেউ ছিল। জাল ফেলার প্রস্তুতির সময় কয়েকজন জেলে ক্লান্ত হয়ে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। হঠাৎ একটি বড় ঢেউ ট্রলারে আঘাত করলে সেটি উল্টে যায়। এ সময় ব্রিজের ভেতরে আটকে পড়া এক জেলে প্রায় ২০ মিনিট পর বের হতে সক্ষম হন।
ইউনুস মোল্লা আরও জানান, ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার পর আটজন জেলে প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে ছিলেন। পরে কাছ দিয়ে যাওয়া আরেকটি মাছ ধরার ট্রলার তাদের উদ্ধার করে। তবে তখন সঙ্গে থাকা পাঁচ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘এফবি বরকত’ দুই দিন আগে পাথরঘাটা থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সাগরে যায়। সোমবার বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে।
তিনি জানান, নিখোঁজ পাঁচ জেলের সন্ধানে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে একটি ট্রলার সমুদ্রে পাঠানো হয়েছে। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন