ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

অর্থনীতি

ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে আলোচনা

ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে আলোচনা
ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে আলোচনা

ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখের সাম্প্রতিক ভারত সফরে বিবিআইএন প্রকল্পের পাশাপাশি বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

বর্তমানে ভারত থেকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছে বাংলাদেশ। এই খাতে ভারতের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।

চলতি আগস্টের শুরুতে ভারত সফর করেন মিরানা মাহরুখ। সফরে দেশটির বিদ্যুৎ সচিব পঙ্কজ আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠকে বিদ্যুৎ আমদানি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

সফর সম্পর্কে বিজনেস ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিরানা মাহরুখ বলেন, আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের এ অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী হবে।

ভারতের একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, বিদ্যমান কাঠামোগত ব্যবস্থার মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের পারস্পরিক সম্পৃক্ততা আরও বাড়াতে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে।

বৈঠকে আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্য, বিদ্যুৎ সঞ্চালন সংযোগ, মৈত্রী বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সহযোগিতার বিষয়গুলোও আলোচনায় আসে।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ২ হাজার ৭৫৬ মেগাওয়াট এবং নেপালের সঙ্গে ৪০ মেগাওয়াট আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে। পৃথক চুক্তির আওতায় ভারতের আদানি পাওয়ার, এনটিপিসি, সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়া এবং পিটিসি ইন্ডিয়ার কাছ থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ।

এর মধ্যে আদানির ঝাড়খণ্ডের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ২০২৪-২৫ সালে ৮ হাজার ৩০ মিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়েছে।

মিরানা মাহরুখ বলেন, জ্বালানি চুক্তির ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বিদ্যুৎ খাতে দুই দেশ পারস্পরিক সহযোগিতা করে আসছে। এ সহযোগিতা ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের প্রকল্পগুলোতেও রয়েছে। রামপাল প্রকল্পকেও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে। এখন আঞ্চলিক জ্বালানি সংযোগের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল (বিবিআইএন) এর মতো প্রকল্পগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ভারত সফরে এমন কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে, যেগুলো বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

মিরানা মাহরুখের মতে, হাইড্রোজেন ও সবুজ জ্বালানি প্রকল্পে ভারতের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ রয়েছে। ভারত গবেষণার ক্ষেত্রে অত্যন্ত দক্ষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশ একসঙ্গে কয়লা থেকে শক্তি উৎপাদনের পাশাপাশি এর উপজাতও কাজে লাগাতে পারে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে আলোচনা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখের সাম্প্রতিক ভারত সফরে বিবিআইএন প্রকল্পের পাশাপাশি বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

বর্তমানে ভারত থেকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছে বাংলাদেশ। এই খাতে ভারতের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।

চলতি আগস্টের শুরুতে ভারত সফর করেন মিরানা মাহরুখ। সফরে দেশটির বিদ্যুৎ সচিব পঙ্কজ আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠকে বিদ্যুৎ আমদানি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

সফর সম্পর্কে বিজনেস ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিরানা মাহরুখ বলেন, আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের এ অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী হবে।

ভারতের একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, বিদ্যমান কাঠামোগত ব্যবস্থার মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের পারস্পরিক সম্পৃক্ততা আরও বাড়াতে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে।

বৈঠকে আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্য, বিদ্যুৎ সঞ্চালন সংযোগ, মৈত্রী বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সহযোগিতার বিষয়গুলোও আলোচনায় আসে।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ২ হাজার ৭৫৬ মেগাওয়াট এবং নেপালের সঙ্গে ৪০ মেগাওয়াট আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে। পৃথক চুক্তির আওতায় ভারতের আদানি পাওয়ার, এনটিপিসি, সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়া এবং পিটিসি ইন্ডিয়ার কাছ থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ।

এর মধ্যে আদানির ঝাড়খণ্ডের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ২০২৪-২৫ সালে ৮ হাজার ৩০ মিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়েছে।

মিরানা মাহরুখ বলেন, জ্বালানি চুক্তির ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বিদ্যুৎ খাতে দুই দেশ পারস্পরিক সহযোগিতা করে আসছে। এ সহযোগিতা ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের প্রকল্পগুলোতেও রয়েছে। রামপাল প্রকল্পকেও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে। এখন আঞ্চলিক জ্বালানি সংযোগের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল (বিবিআইএন) এর মতো প্রকল্পগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ভারত সফরে এমন কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে, যেগুলো বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

মিরানা মাহরুখের মতে, হাইড্রোজেন ও সবুজ জ্বালানি প্রকল্পে ভারতের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ রয়েছে। ভারত গবেষণার ক্ষেত্রে অত্যন্ত দক্ষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশ একসঙ্গে কয়লা থেকে শক্তি উৎপাদনের পাশাপাশি এর উপজাতও কাজে লাগাতে পারে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে আলোচনা
0:00 0:00
1.0x