বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. আইয়ুব রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, অডিটের সময় ঘিওর খাদ্যগুদামে মজুতের হিসাবে অসংগতি পাওয়া যায়। এ ঘটনায় যাদের সম্পৃক্ততার সন্দেহ রয়েছে, তদন্তের স্বার্থে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এর আগেই গুদামটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) ঢাকা থেকে আসা খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক দল ঘিওর খাদ্যগুদামে অডিট পরিচালনা করে। অডিটে সরকারি হিসাবের সঙ্গে গুদামে থাকা প্রকৃত মজুতের পরিমাণে বড় ধরনের পার্থক্য ধরা পড়ে। হিসাব অনুযায়ী, গুদামটিতে ১১০ টন চাল ও ২০ টন গমের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৭০ লাখ টাকা।
অডিটের তথ্যের অসংগতি বিস্তারিতভাবে যাচাই এবং কার্যক্রম সম্পন্ন করার স্বার্থে পরিদর্শক দল পুরো খাদ্যগুদামটি সিলগালা করে দেয়।
গুদাম সিলগালা করার পর অভিযুক্ত উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপুল কুমার গা ঢাকা দেন। তাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সাড়া দেননি।
অডিট দলের এ পদক্ষেপের পর বৃহস্পতিবার দৈনিক কালবেলায় বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিভাগীয় পর্যায়ে তোলপাড় শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার এবং খাদ্য পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) বিপুল কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
সূত্র: কালবেলা

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. আইয়ুব রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, অডিটের সময় ঘিওর খাদ্যগুদামে মজুতের হিসাবে অসংগতি পাওয়া যায়। এ ঘটনায় যাদের সম্পৃক্ততার সন্দেহ রয়েছে, তদন্তের স্বার্থে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এর আগেই গুদামটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) ঢাকা থেকে আসা খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক দল ঘিওর খাদ্যগুদামে অডিট পরিচালনা করে। অডিটে সরকারি হিসাবের সঙ্গে গুদামে থাকা প্রকৃত মজুতের পরিমাণে বড় ধরনের পার্থক্য ধরা পড়ে। হিসাব অনুযায়ী, গুদামটিতে ১১০ টন চাল ও ২০ টন গমের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৭০ লাখ টাকা।
অডিটের তথ্যের অসংগতি বিস্তারিতভাবে যাচাই এবং কার্যক্রম সম্পন্ন করার স্বার্থে পরিদর্শক দল পুরো খাদ্যগুদামটি সিলগালা করে দেয়।
গুদাম সিলগালা করার পর অভিযুক্ত উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপুল কুমার গা ঢাকা দেন। তাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সাড়া দেননি।
অডিট দলের এ পদক্ষেপের পর বৃহস্পতিবার দৈনিক কালবেলায় বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিভাগীয় পর্যায়ে তোলপাড় শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার এবং খাদ্য পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) বিপুল কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
সূত্র: কালবেলা

আপনার মতামত লিখুন