বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম লেখেন, ‘ইশারাত মঞ্জিল’ নামটির মধ্যে মুছে দেওয়া অনেক ইতিহাসের গল্প লুকিয়ে আছে।
প্রসঙ্গত, ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘ইশারাত মঞ্জিল’ কীভাবে সময়ের পরিক্রমায় ‘মধুর ক্যান্টিন’ নামে পরিচিত হয়ে উঠল, তা নিয়ে বর্তমানে বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের মধ্যে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।
উনিশ শতকে নির্মিত ঢাকার নবাব পরিবারের এই ভবনটি উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বলে ইতিহাসবিদদের একটি অংশ মনে করেন। ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত মুসলিম নেতাদের সম্মেলন এবং নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের সঙ্গেও ভবনটির নাম সম্পৃক্ত।
দেশভাগের পর ১৯৫১ সালে ভবনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আসে। এরপর ধীরে ধীরে এটি প্রগতিশীল ছাত্ররাজনীতির অন্যতম কেন্দ্র ‘মধুর ক্যান্টিন’ হিসেবে পরিচিতি পায়।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন সেমিনার ও আলোচনায় এক পক্ষের অভিযোগ, বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ইতিহাস নির্মাণের ক্ষেত্রে ভবনটির নবাবী ও মুসলিম ঐতিহ্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।
অন্যদিকে ভিন্নমতের ইতিহাসবিদ ও প্রগতিশীলদের বক্তব্য, নবাবি জলসাঘর থেকে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ও অধিকার আদায়ের কেন্দ্রে ভবনটির রূপান্তর ইতিহাসের স্বাভাবিক বিবর্তনেরই অংশ।
সূত্র: ঢাকা ডাইরি

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম লেখেন, ‘ইশারাত মঞ্জিল’ নামটির মধ্যে মুছে দেওয়া অনেক ইতিহাসের গল্প লুকিয়ে আছে।
প্রসঙ্গত, ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘ইশারাত মঞ্জিল’ কীভাবে সময়ের পরিক্রমায় ‘মধুর ক্যান্টিন’ নামে পরিচিত হয়ে উঠল, তা নিয়ে বর্তমানে বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের মধ্যে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।
উনিশ শতকে নির্মিত ঢাকার নবাব পরিবারের এই ভবনটি উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বলে ইতিহাসবিদদের একটি অংশ মনে করেন। ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত মুসলিম নেতাদের সম্মেলন এবং নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের সঙ্গেও ভবনটির নাম সম্পৃক্ত।
দেশভাগের পর ১৯৫১ সালে ভবনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আসে। এরপর ধীরে ধীরে এটি প্রগতিশীল ছাত্ররাজনীতির অন্যতম কেন্দ্র ‘মধুর ক্যান্টিন’ হিসেবে পরিচিতি পায়।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন সেমিনার ও আলোচনায় এক পক্ষের অভিযোগ, বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ইতিহাস নির্মাণের ক্ষেত্রে ভবনটির নবাবী ও মুসলিম ঐতিহ্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।
অন্যদিকে ভিন্নমতের ইতিহাসবিদ ও প্রগতিশীলদের বক্তব্য, নবাবি জলসাঘর থেকে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ও অধিকার আদায়ের কেন্দ্রে ভবনটির রূপান্তর ইতিহাসের স্বাভাবিক বিবর্তনেরই অংশ।
সূত্র: ঢাকা ডাইরি

আপনার মতামত লিখুন