শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের খিদিরপুর এলাকায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানোর সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুকুরে ভাসমান অবস্থায় থাকা ৯ বস্তা ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গাঁজা পাচারের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে কসবা থানার এসআই শামিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সৈয়দাবাদ-নয়নপুর সড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় কালো রঙের একটি মাইক্রোবাসের চলাচল সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ সেটিকে থামার সংকেত দেয়। কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ পিছু নেয়।
পুলিশের ধাওয়া থেকে বাঁচতে মাইক্রোবাসটি কসবা-সৈয়দাবাদ সড়কের সঙ্গে যুক্ত আন্দিরপাড়-মনকাশাইর সড়ক ধরে পালানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে খিদিরপুর গ্রাম অতিক্রম করার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি সড়কের পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়। মাইক্রোবাসটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-চ ১৯-০৭৪০।
মাইক্রোবাসটি পুকুরে পড়ার পর গাড়ি থেকে গাঁজার প্যাকেট বের হয়ে পানিতে ভেসে ওঠে। পরে পুলিশ ক্রেনের সাহায্যে মাইক্রোবাসটি পুকুর থেকে তুলে আনে। একই সময় পানিতে ভাসতে থাকা ৯ বস্তা গাঁজাও উদ্ধার করা হয়। তবে গাড়িতে থাকা চালক ও পাচারকারীরা সাঁতরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, গাঁজা পাচারের গোপন তথ্য পেয়ে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। মাইক্রোবাসটিকে থামার নির্দেশ দেওয়া হলেও চালক তা না মেনে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ ধাওয়া করলে খিদিরপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি পুকুরে পড়ে যায়। এরপর ক্রেন এনে মাইক্রোবাস ও এর ভেতরে থাকা গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
সূত্র: ঢাকা ওয়াচ

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের খিদিরপুর এলাকায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানোর সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুকুরে ভাসমান অবস্থায় থাকা ৯ বস্তা ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গাঁজা পাচারের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে কসবা থানার এসআই শামিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সৈয়দাবাদ-নয়নপুর সড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় কালো রঙের একটি মাইক্রোবাসের চলাচল সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ সেটিকে থামার সংকেত দেয়। কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ পিছু নেয়।
পুলিশের ধাওয়া থেকে বাঁচতে মাইক্রোবাসটি কসবা-সৈয়দাবাদ সড়কের সঙ্গে যুক্ত আন্দিরপাড়-মনকাশাইর সড়ক ধরে পালানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে খিদিরপুর গ্রাম অতিক্রম করার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি সড়কের পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়। মাইক্রোবাসটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-চ ১৯-০৭৪০।
মাইক্রোবাসটি পুকুরে পড়ার পর গাড়ি থেকে গাঁজার প্যাকেট বের হয়ে পানিতে ভেসে ওঠে। পরে পুলিশ ক্রেনের সাহায্যে মাইক্রোবাসটি পুকুর থেকে তুলে আনে। একই সময় পানিতে ভাসতে থাকা ৯ বস্তা গাঁজাও উদ্ধার করা হয়। তবে গাড়িতে থাকা চালক ও পাচারকারীরা সাঁতরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, গাঁজা পাচারের গোপন তথ্য পেয়ে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। মাইক্রোবাসটিকে থামার নির্দেশ দেওয়া হলেও চালক তা না মেনে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ ধাওয়া করলে খিদিরপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি পুকুরে পড়ে যায়। এরপর ক্রেন এনে মাইক্রোবাস ও এর ভেতরে থাকা গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
সূত্র: ঢাকা ওয়াচ

আপনার মতামত লিখুন