পেজেশকিয়ান বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধ শুরু করেনি এবং যুদ্ধকে স্বাগতও জানায়নি। কিন্তু কোনো ধরনের আগ্রাসনের শিকার হলে ইরান দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করবে। কূটনৈতিক উদ্যোগ, জনগণের সমর্থন, সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকা এবং সশস্ত্র বাহিনীর আত্মত্যাগ দেশকে শক্তিশালী করছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানিয়েছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে। ইরানের অনুমোদন ও সমন্বয় ছাড়া কোনো জাহাজকে এই জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে বলেও দাবি করেন গারিবাবাদি।
তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ইসলামাবাদ সমঝোতায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করলেই সেটি কার্যকর হবে। গারিবাবাদির দাবি, ওই সমঝোতার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রই লঙ্ঘন করেছে। ফলে তা বাস্তবায়নের দায়িত্বও ওয়াশিংটনের।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও আলোচনা শুরুর উদ্যোগে পাকিস্তান ও কাতারের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন গারিবাবাদি। সাম্প্রতিক সময়ে দেশ দুটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তেহরানের আলোচনায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু এবং সংঘাত নিরসনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরান ও ওমান একটি অস্থায়ী নৌপথ চালুর বিষয়েও আলোচনা করছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় জাহাজ চলাচল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সমন্বয়ের কথা রয়েছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত প্রণালিটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে না।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
পেজেশকিয়ান বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধ শুরু করেনি এবং যুদ্ধকে স্বাগতও জানায়নি। কিন্তু কোনো ধরনের আগ্রাসনের শিকার হলে ইরান দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করবে। কূটনৈতিক উদ্যোগ, জনগণের সমর্থন, সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকা এবং সশস্ত্র বাহিনীর আত্মত্যাগ দেশকে শক্তিশালী করছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানিয়েছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে। ইরানের অনুমোদন ও সমন্বয় ছাড়া কোনো জাহাজকে এই জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে বলেও দাবি করেন গারিবাবাদি।
তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ইসলামাবাদ সমঝোতায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করলেই সেটি কার্যকর হবে। গারিবাবাদির দাবি, ওই সমঝোতার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রই লঙ্ঘন করেছে। ফলে তা বাস্তবায়নের দায়িত্বও ওয়াশিংটনের।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও আলোচনা শুরুর উদ্যোগে পাকিস্তান ও কাতারের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন গারিবাবাদি। সাম্প্রতিক সময়ে দেশ দুটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তেহরানের আলোচনায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু এবং সংঘাত নিরসনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরান ও ওমান একটি অস্থায়ী নৌপথ চালুর বিষয়েও আলোচনা করছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় জাহাজ চলাচল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সমন্বয়ের কথা রয়েছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত প্রণালিটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে না।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

আপনার মতামত লিখুন