অনলাইনে প্রচারিত একটি ভিডিওতে জনৈক পীরের এমন প্রশ্নের প্রসঙ্গ তুলে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মুফতি মুহাম্মদ নোমান কাসেমী। বক্তব্যে তিনি নবুওয়াত ও পীরত্বের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন।
মুফতি নোমান কাসেমী বলেন, কেউ নিজের ইচ্ছায় নবী হতে পারেন না। কোনো নবী তাঁর সন্তানকে নিজের নবুওয়াতের আসনে বসাতে পারেন না এবং কোনো সন্তানও বাবার নবুওয়াতের আসন গ্রহণ করতে পারেন না। আল্লাহ তাআলা যাঁকে নিজের ইচ্ছায় নির্বাচন করেন, তিনিই নবী হন। এক্ষেত্রে বাবা-সন্তানের সম্পর্ক মুখ্য নয়; আল্লাহর ইচ্ছাই মূল বিষয়।
তিনি বলেন, দুনিয়াতে নবীর সন্তান নবী ছিলেন—এটি সত্য। তবে নবীর সন্তানদের মধ্যে কাফেরও ছিলেন।
পীরের বংশপরম্পরায় আসনে বসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো কোনো পীর নিজের অযোগ্য সন্তানকেও পীরের আসনে বসান এবং সন্তানও বাবার আসনে বসেন। তাঁর দাবি, এ ক্ষেত্রে আল্লাহর ইচ্ছার পরিবর্তে পীর ও তাঁর সন্তানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং ‘পীরালী ব্যবসার’ বিষয়টি প্রাধান্য পায়।
এ ধরনের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে মুফতি নোমান কাসেমী বলেন, ভুল বক্তব্য থেকে বিরত হয়ে তওবা করা এবং ঈমান নবায়ন করা উচিত।
মুফতি মুহাম্মদ নোমান কাসেমী একজন লেখক, শিক্ষক ও আলোচক। তিনি ঢাকার শাইখ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের উস্তাজুল হাদিস, আল-মারকাজুল হানাফী বাংলাদেশের পরিচালক এবং যাত্রাবাড়ীর দনিয়া বড় জামে মসজিদের খতিব হিসেবে পরিচিত।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
অনলাইনে প্রচারিত একটি ভিডিওতে জনৈক পীরের এমন প্রশ্নের প্রসঙ্গ তুলে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মুফতি মুহাম্মদ নোমান কাসেমী। বক্তব্যে তিনি নবুওয়াত ও পীরত্বের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন।
মুফতি নোমান কাসেমী বলেন, কেউ নিজের ইচ্ছায় নবী হতে পারেন না। কোনো নবী তাঁর সন্তানকে নিজের নবুওয়াতের আসনে বসাতে পারেন না এবং কোনো সন্তানও বাবার নবুওয়াতের আসন গ্রহণ করতে পারেন না। আল্লাহ তাআলা যাঁকে নিজের ইচ্ছায় নির্বাচন করেন, তিনিই নবী হন। এক্ষেত্রে বাবা-সন্তানের সম্পর্ক মুখ্য নয়; আল্লাহর ইচ্ছাই মূল বিষয়।
তিনি বলেন, দুনিয়াতে নবীর সন্তান নবী ছিলেন—এটি সত্য। তবে নবীর সন্তানদের মধ্যে কাফেরও ছিলেন।
পীরের বংশপরম্পরায় আসনে বসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো কোনো পীর নিজের অযোগ্য সন্তানকেও পীরের আসনে বসান এবং সন্তানও বাবার আসনে বসেন। তাঁর দাবি, এ ক্ষেত্রে আল্লাহর ইচ্ছার পরিবর্তে পীর ও তাঁর সন্তানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং ‘পীরালী ব্যবসার’ বিষয়টি প্রাধান্য পায়।
এ ধরনের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে মুফতি নোমান কাসেমী বলেন, ভুল বক্তব্য থেকে বিরত হয়ে তওবা করা এবং ঈমান নবায়ন করা উচিত।
মুফতি মুহাম্মদ নোমান কাসেমী একজন লেখক, শিক্ষক ও আলোচক। তিনি ঢাকার শাইখ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের উস্তাজুল হাদিস, আল-মারকাজুল হানাফী বাংলাদেশের পরিচালক এবং যাত্রাবাড়ীর দনিয়া বড় জামে মসজিদের খতিব হিসেবে পরিচিত।

আপনার মতামত লিখুন