নওগাঁর পোরশা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত তিন আসামিকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রাপ্ত গোপন ও নির্ভরযোগ্য তথ্য বিশ্লেষণ করে গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পোরশা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাদের গ্রেপ্তার করে।
অভিযানকালে ঢাকার শেরেবাংলা থানাধীন শেরেবাংলা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে সরকারি কোয়ার্টার এবং মোহাম্মদপুর থানাধীন বসিলা বস্তিতে পৃথক অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—পোরশা উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত জমির উদ্দীন শেখের ছেলে মো. বিশু শেখ (৪৭)। তার বিরুদ্ধে একটি জিআর সাজাসহ মোট তিনটি ওয়ারেন্ট রয়েছে। একই গ্রামের মোছা. নাজিরা খাতুন (৪০), তিনি মো. বিশু শেখের স্ত্রী। তার বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
অপর গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন পোরশা উপজেলার বড়গ্রাম গ্রামের মৃত জিদার রহমানের ছেলে মো. আঃ হামিদ (৫০)। তার বিরুদ্ধে সাজাসহ মোট চারটি ওয়ারেন্টসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার এড়াতে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে যথাযথভাবে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর পোরশা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত তিন আসামিকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রাপ্ত গোপন ও নির্ভরযোগ্য তথ্য বিশ্লেষণ করে গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পোরশা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাদের গ্রেপ্তার করে।
অভিযানকালে ঢাকার শেরেবাংলা থানাধীন শেরেবাংলা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে সরকারি কোয়ার্টার এবং মোহাম্মদপুর থানাধীন বসিলা বস্তিতে পৃথক অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—পোরশা উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত জমির উদ্দীন শেখের ছেলে মো. বিশু শেখ (৪৭)। তার বিরুদ্ধে একটি জিআর সাজাসহ মোট তিনটি ওয়ারেন্ট রয়েছে। একই গ্রামের মোছা. নাজিরা খাতুন (৪০), তিনি মো. বিশু শেখের স্ত্রী। তার বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
অপর গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন পোরশা উপজেলার বড়গ্রাম গ্রামের মৃত জিদার রহমানের ছেলে মো. আঃ হামিদ (৫০)। তার বিরুদ্ধে সাজাসহ মোট চারটি ওয়ারেন্টসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার এড়াতে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে যথাযথভাবে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন