ভোলার মনপুরা উপজেলা পরিষদের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘হাজিরহাট হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা’। ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ দিন ধরে পার করছে চরম শ্রেণিকক্ষ সংকট। ইবতেদায়ী ১ম শ্রেণি থেকে শুরু করে আলিম দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মোট ১২টি শ্রেণিতে বর্তমানে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তবে পর্যাপ্ত ভবনের অভাবে এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে তিনটি করে কক্ষবিশিষ্ট মাত্র দুটি একতলা ভবন রয়েছে। ছয়টি কক্ষের এই দুই ভবনেই কোনোমতে সাজানো হয়েছে অধ্যক্ষের কক্ষ, শিক্ষক মিলনায়তন, অফিস কক্ষ, কমনরুম ও ডিজিটালল্যাব। ফলে বাকি থাকা মাত্র দুটি কক্ষে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। বাধ্য হয়েই জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে শত শত শিক্ষার্থীকে।
মাদ্রাসার প্রায় ২২ জন শিক্ষক-কর্মচারী এই সীমিত সম্পদের মধ্যে পাঠদান অব্যাহত রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন। ঝড়-বৃষ্টি বা প্রখর রোদে টিনশেডের নিচে ক্লাস চালানো শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন কষ্টদায়ক, তেমনি শিক্ষকদের জন্যও তা হয়ে উঠেছে এক বড় চ্যালেঞ্জ।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মোসলে উদ্দিন জানান, "প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ১২টি শ্রেণির প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে এই সীমিত অবকাঠামোয় পড়ানো রীতিমতো অসাধ্য হয়ে পড়েছে। জরাজীর্ণ টিনশেড ও মাত্র দুটি কক্ষে এত শিক্ষার্থীর শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং নিরাপদ পাঠদান নিশ্চিত করতে আমরা একটি বহুতল ভবনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।"

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভোলার মনপুরা উপজেলা পরিষদের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘হাজিরহাট হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা’। ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ দিন ধরে পার করছে চরম শ্রেণিকক্ষ সংকট। ইবতেদায়ী ১ম শ্রেণি থেকে শুরু করে আলিম দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মোট ১২টি শ্রেণিতে বর্তমানে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তবে পর্যাপ্ত ভবনের অভাবে এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে তিনটি করে কক্ষবিশিষ্ট মাত্র দুটি একতলা ভবন রয়েছে। ছয়টি কক্ষের এই দুই ভবনেই কোনোমতে সাজানো হয়েছে অধ্যক্ষের কক্ষ, শিক্ষক মিলনায়তন, অফিস কক্ষ, কমনরুম ও ডিজিটালল্যাব। ফলে বাকি থাকা মাত্র দুটি কক্ষে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। বাধ্য হয়েই জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে শত শত শিক্ষার্থীকে।
মাদ্রাসার প্রায় ২২ জন শিক্ষক-কর্মচারী এই সীমিত সম্পদের মধ্যে পাঠদান অব্যাহত রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন। ঝড়-বৃষ্টি বা প্রখর রোদে টিনশেডের নিচে ক্লাস চালানো শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন কষ্টদায়ক, তেমনি শিক্ষকদের জন্যও তা হয়ে উঠেছে এক বড় চ্যালেঞ্জ।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মোসলে উদ্দিন জানান, "প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ১২টি শ্রেণির প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে এই সীমিত অবকাঠামোয় পড়ানো রীতিমতো অসাধ্য হয়ে পড়েছে। জরাজীর্ণ টিনশেড ও মাত্র দুটি কক্ষে এত শিক্ষার্থীর শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং নিরাপদ পাঠদান নিশ্চিত করতে আমরা একটি বহুতল ভবনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।"

আপনার মতামত লিখুন