মোরশেদ আলম আদিব প্রতিষ্ঠানটির ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের তৃতীয় পর্বের শিক্ষার্থী। তিনি ফেনী পলিটেকনিক শাখা শিবিরের সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, মোরশেদ আলম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নারী ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি সাধারণ শিক্ষার্থীদের নজরে আসার পর সোমবার রাতে তারা কলেজের হোস্টেল থেকে তাকে আটক করেন। পরে কলেজ প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়।
খবর পেয়ে কলেজের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী অভিযোগের দায় স্বীকার করেন এবং এ ঘটনায় সবার কাছে ক্ষমা চান। এরপর তাকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়।
ফেনী পলিটেকনিক ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল মোঘল বলেন, ‘আমি তখন ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলাম। শিক্ষার্থীরা আমাকে বিষয়টি জানায়। খবর পাওয়ার পর দ্রুত ক্যাম্পাসে এসে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করি। পরে বিষয়টি শিক্ষকদের জানালে তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে পুলিশকে খবর দেন।’
শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘আদিব আমার সহপাঠী। আমাদের সহপাঠী বোনদের নিয়ে সে যে ধরনের অশালীন মন্তব্য করেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। আমরা তার বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি।’
ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ রূপক কান্তি বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আমাদের প্রতিষ্ঠানেরই শিক্ষার্থী। সে তার ফেসবুকে আমাদের নারী শিক্ষার্থী ও কলেজ অধ্যক্ষকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে পোস্ট দিয়েছে। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলার পরিপন্থী। জিজ্ঞাসাবাদের সময় সে নিজের দোষ স্বীকার করেছে এবং ক্ষমা চেয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ করা হচ্ছে না। তার পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা এলে তাকে তাদের জিম্মায় দেওয়া হবে। সে কারণে বর্তমানে তাকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।’
উপাধ্যক্ষ আরও জানান, ঘটনাটি নিয়ে মঙ্গলবার সকালে কলেজ প্রশাসনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।
সূত্র: ইত্তেফাক

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মোরশেদ আলম আদিব প্রতিষ্ঠানটির ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের তৃতীয় পর্বের শিক্ষার্থী। তিনি ফেনী পলিটেকনিক শাখা শিবিরের সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, মোরশেদ আলম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নারী ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি সাধারণ শিক্ষার্থীদের নজরে আসার পর সোমবার রাতে তারা কলেজের হোস্টেল থেকে তাকে আটক করেন। পরে কলেজ প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়।
খবর পেয়ে কলেজের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী অভিযোগের দায় স্বীকার করেন এবং এ ঘটনায় সবার কাছে ক্ষমা চান। এরপর তাকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়।
ফেনী পলিটেকনিক ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল মোঘল বলেন, ‘আমি তখন ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলাম। শিক্ষার্থীরা আমাকে বিষয়টি জানায়। খবর পাওয়ার পর দ্রুত ক্যাম্পাসে এসে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করি। পরে বিষয়টি শিক্ষকদের জানালে তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে পুলিশকে খবর দেন।’
শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘আদিব আমার সহপাঠী। আমাদের সহপাঠী বোনদের নিয়ে সে যে ধরনের অশালীন মন্তব্য করেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। আমরা তার বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি।’
ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ রূপক কান্তি বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আমাদের প্রতিষ্ঠানেরই শিক্ষার্থী। সে তার ফেসবুকে আমাদের নারী শিক্ষার্থী ও কলেজ অধ্যক্ষকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে পোস্ট দিয়েছে। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলার পরিপন্থী। জিজ্ঞাসাবাদের সময় সে নিজের দোষ স্বীকার করেছে এবং ক্ষমা চেয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ করা হচ্ছে না। তার পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা এলে তাকে তাদের জিম্মায় দেওয়া হবে। সে কারণে বর্তমানে তাকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।’
উপাধ্যক্ষ আরও জানান, ঘটনাটি নিয়ে মঙ্গলবার সকালে কলেজ প্রশাসনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন