তবে এমন বৈঠকের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরুর আগে এর মূল এজেন্ডা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন রিয়াবকভ। তার ভাষ্য, বৈঠকে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে এবং সেখান থেকে প্রত্যাশিত ফলাফল কী—এ দুটি বিষয় আগে নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
চলতি মাসের শুরুতে ক্রেমলিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ আগামী নভেম্বরে চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠেয় এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলনে তিন দেশের নেতার সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়টি সামনে আনেন।
রোববার রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমে উশাকভের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে এমন একটি বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য বহন করতে পারে। তবে বৈঠক আয়োজনের বিষয়টি পুরোপুরি সম্মেলনের আয়োজক দেশের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।
উশাকভ বলেন, এ ধরনের বৈঠক আয়োজন সম্ভব হলে, যার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক প্রস্তুতিও নিতে হবে, তাহলে এটি অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এদিকে এপেক সম্মেলনের সময় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কর্মসূচিও রয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। এসব বৈঠকের মধ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ রয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি ও সুযোগ তৈরি হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন উশাকভ।
সূত্র: ইত্তেফাক

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তবে এমন বৈঠকের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরুর আগে এর মূল এজেন্ডা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন রিয়াবকভ। তার ভাষ্য, বৈঠকে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে এবং সেখান থেকে প্রত্যাশিত ফলাফল কী—এ দুটি বিষয় আগে নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
চলতি মাসের শুরুতে ক্রেমলিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ আগামী নভেম্বরে চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠেয় এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলনে তিন দেশের নেতার সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়টি সামনে আনেন।
রোববার রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমে উশাকভের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে এমন একটি বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য বহন করতে পারে। তবে বৈঠক আয়োজনের বিষয়টি পুরোপুরি সম্মেলনের আয়োজক দেশের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।
উশাকভ বলেন, এ ধরনের বৈঠক আয়োজন সম্ভব হলে, যার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক প্রস্তুতিও নিতে হবে, তাহলে এটি অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এদিকে এপেক সম্মেলনের সময় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কর্মসূচিও রয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। এসব বৈঠকের মধ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ রয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি ও সুযোগ তৈরি হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন উশাকভ।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন