আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোনো দলের আনুগত্য করার প্রয়োজন নেই। ক্ষমতাসীন দলের কেউ হোক বা অন্য কোনো দলের—চাঁদাবাজি ও সহিংসতার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে আহত এনসিপি নেতা দেলোয়ার হোসেনকে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে দেখতে যান আখতার হোসেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এলাকা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও মারামারির ঘটনাও ঘটছে। এমনকি মহিষ চালানোর ক্ষেত্রেও চাঁদা দাবির মতো ঘটনা ঘটছে।
দেলোয়ার হোসেনের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে এনসিপির কোনো নেতা বা সাধারণ মানুষকে এভাবে হামলার শিকার হতে হতো না। দেলোয়ার হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরেকটি চিত্র তুলে ধরেছে।
হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া যাবে না।
নির্বাচনের পর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবনতির চিত্র দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, চাঁদাবাজি, দখলদারি ও সংঘাতের এমন পরিবেশ জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক যে কারণেই কোনো ব্যক্তি হামলার শিকার হোন না কেন, সরকারকে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াতে হবে এবং হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
সূত্র: ইত্তেফাক

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোনো দলের আনুগত্য করার প্রয়োজন নেই। ক্ষমতাসীন দলের কেউ হোক বা অন্য কোনো দলের—চাঁদাবাজি ও সহিংসতার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে আহত এনসিপি নেতা দেলোয়ার হোসেনকে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে দেখতে যান আখতার হোসেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এলাকা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও মারামারির ঘটনাও ঘটছে। এমনকি মহিষ চালানোর ক্ষেত্রেও চাঁদা দাবির মতো ঘটনা ঘটছে।
দেলোয়ার হোসেনের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে এনসিপির কোনো নেতা বা সাধারণ মানুষকে এভাবে হামলার শিকার হতে হতো না। দেলোয়ার হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরেকটি চিত্র তুলে ধরেছে।
হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া যাবে না।
নির্বাচনের পর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবনতির চিত্র দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, চাঁদাবাজি, দখলদারি ও সংঘাতের এমন পরিবেশ জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক যে কারণেই কোনো ব্যক্তি হামলার শিকার হোন না কেন, সরকারকে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াতে হবে এবং হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন