এদিন ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (সংশোধন) বিল-২০২৬’ নিয়ে ভোটাভুটির সময় প্রথমবার সংসদ থেকে বেরিয়ে যান বিরোধীদলীয় সদস্যরা। কিছুক্ষণ পর তারা আবার অধিবেশন কক্ষে ফিরে আসেন।
এরপর ‘মানবাধিকার কমিশন বিল’ নিয়ে আলোচনা শুরু হলে দ্বিতীয় দফায় অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন তারা। এ সময় বিলটির আলোচনায় বিরোধীদলীয় কোনো সংসদ সদস্য অংশ নেননি।
ওয়াকআউটের আগে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রস্তাবিত মানবাধিকার কমিশন বিলটি দুর্বলভাবে সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ কারণে বিলটির আলোচনায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীদল।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু বিলটি দুর্বল আকারে আনা হয়েছে, সেহেতু মানবাধিকার কমিশন আইনের আলোচনায় আমরা অংশগ্রহণ করছি না। আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।’
তার বক্তব্যের পর বিরোধীদলীয় সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। পরে সংসদ ভবন থেকে বের হওয়ার সময় তাদের কয়েকজনের মুখে কালো কাপড় বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।
সূত্র: ইত্তেফাক

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এদিন ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (সংশোধন) বিল-২০২৬’ নিয়ে ভোটাভুটির সময় প্রথমবার সংসদ থেকে বেরিয়ে যান বিরোধীদলীয় সদস্যরা। কিছুক্ষণ পর তারা আবার অধিবেশন কক্ষে ফিরে আসেন।
এরপর ‘মানবাধিকার কমিশন বিল’ নিয়ে আলোচনা শুরু হলে দ্বিতীয় দফায় অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন তারা। এ সময় বিলটির আলোচনায় বিরোধীদলীয় কোনো সংসদ সদস্য অংশ নেননি।
ওয়াকআউটের আগে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রস্তাবিত মানবাধিকার কমিশন বিলটি দুর্বলভাবে সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ কারণে বিলটির আলোচনায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীদল।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু বিলটি দুর্বল আকারে আনা হয়েছে, সেহেতু মানবাধিকার কমিশন আইনের আলোচনায় আমরা অংশগ্রহণ করছি না। আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।’
তার বক্তব্যের পর বিরোধীদলীয় সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। পরে সংসদ ভবন থেকে বের হওয়ার সময় তাদের কয়েকজনের মুখে কালো কাপড় বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন