স্থানীয় বিধায়ক অনিল শর্মা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পড়াশোনার জন্য আসা শিক্ষার্থীরা ওই ভবনে বসবাস করতেন। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে বর্তমানে ঠিক কতজন আটকা রয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি জানান, পাঁচ, দশ কিংবা ২০ জন—সংখ্যা যতই হোক, বেশ কয়েকজন এখনো ভবনের ভেতরে আটকে আছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তবে কিছুটা আশার বিষয় হলো, ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থী ফোন করতে সক্ষম হয়েছেন। এতে তারা জীবিত রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটকে থাকা সবাইকে নিরাপদে বের করে আনাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
পুলিশ জানিয়েছে, ভবনটির নিচের অংশ বা বেসমেন্টে কয়েকদিন ধরে কিছু কাজ চলছিল। স্থানীয়দের ধারণা, দুর্ঘটনার সময় ভবনটির ভেতরে প্রায় ১৫ জন মানুষ থাকতে পারেন।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি গাড়ির পাশাপাশি পুলিশ, জরুরি চিকিৎসাসেবা দল ও এনডিআরএফ সদস্যরা একসঙ্গে কাজ করছেন। ধসে পড়া কংক্রিটের বড় অংশ ও বিম সরানোর জন্য ঘটনাস্থলে ভারী যন্ত্রপাতিও আনা হয়েছে।
এ ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশীশ সুদ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা শিক্ষার্থীদের দ্রুত এবং নিরাপদে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুরো পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় বিধায়ক অনিল শর্মা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পড়াশোনার জন্য আসা শিক্ষার্থীরা ওই ভবনে বসবাস করতেন। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে বর্তমানে ঠিক কতজন আটকা রয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি জানান, পাঁচ, দশ কিংবা ২০ জন—সংখ্যা যতই হোক, বেশ কয়েকজন এখনো ভবনের ভেতরে আটকে আছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তবে কিছুটা আশার বিষয় হলো, ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থী ফোন করতে সক্ষম হয়েছেন। এতে তারা জীবিত রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটকে থাকা সবাইকে নিরাপদে বের করে আনাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
পুলিশ জানিয়েছে, ভবনটির নিচের অংশ বা বেসমেন্টে কয়েকদিন ধরে কিছু কাজ চলছিল। স্থানীয়দের ধারণা, দুর্ঘটনার সময় ভবনটির ভেতরে প্রায় ১৫ জন মানুষ থাকতে পারেন।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি গাড়ির পাশাপাশি পুলিশ, জরুরি চিকিৎসাসেবা দল ও এনডিআরএফ সদস্যরা একসঙ্গে কাজ করছেন। ধসে পড়া কংক্রিটের বড় অংশ ও বিম সরানোর জন্য ঘটনাস্থলে ভারী যন্ত্রপাতিও আনা হয়েছে।
এ ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশীশ সুদ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা শিক্ষার্থীদের দ্রুত এবং নিরাপদে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুরো পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন