এর আগে গত ৩০ আগস্ট সংসদে রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছিলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর নামে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার একটি ভবনের উদ্বোধন করেছিল। তবে তখন টার্মিনালের অভ্যন্তরের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু কাজ সম্পন্ন হয়নি। এটি চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।
২০১৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার শাহজালাল বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ধরা হয় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। অবশিষ্ট অর্থ জাপানি সংস্থা জাইকার ঋণ থেকে নেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন করা হয়। সে সময় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছিল, ২০২৪ সালের মধ্যে টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। তবে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এর আগে গত ৩০ আগস্ট সংসদে রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছিলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর নামে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার একটি ভবনের উদ্বোধন করেছিল। তবে তখন টার্মিনালের অভ্যন্তরের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু কাজ সম্পন্ন হয়নি। এটি চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।
২০১৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার শাহজালাল বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ধরা হয় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। অবশিষ্ট অর্থ জাপানি সংস্থা জাইকার ঋণ থেকে নেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন করা হয়। সে সময় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছিল, ২০২৪ সালের মধ্যে টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। তবে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন