সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য ধাপ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ইসি সচিব জানান, ইউপি নির্বাচন কয়েকটি ধাপে আয়োজন করা হবে। তবে নির্বাচন পাঁচ ধাপে হবে নাকি ছয় ধাপে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
তিনি বলেন, সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই উপজেলাভিত্তিকভাবে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে এক ধাপে এবং অন্য ইউনিয়নগুলোতে ভিন্ন ধাপে নির্বাচন হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতেই একটি উপজেলার সব ইউনিয়নে একযোগে ভোট নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
চূড়ান্ত নির্বাচনী তফসিল কবে ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, তফসিল ঘোষণার বিষয়টি পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। এ মুহূর্তে তফসিলের নির্দিষ্ট কোনো তথ্য তাঁর কাছে নেই।
স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী বিধিমালা সংস্কারের সম্ভাব্য উদ্যোগের বিষয়ে ইসি সচিব জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ না রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে বিধিমালায় আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে বলা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে একটি প্রাথমিক রোডম্যাপ প্রকাশ করেন। তিনি জানিয়েছিলেন, আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নভেম্বর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সারাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এরপর পর্যায়ক্রমে সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও জেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য ধাপ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ইসি সচিব জানান, ইউপি নির্বাচন কয়েকটি ধাপে আয়োজন করা হবে। তবে নির্বাচন পাঁচ ধাপে হবে নাকি ছয় ধাপে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
তিনি বলেন, সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই উপজেলাভিত্তিকভাবে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে এক ধাপে এবং অন্য ইউনিয়নগুলোতে ভিন্ন ধাপে নির্বাচন হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতেই একটি উপজেলার সব ইউনিয়নে একযোগে ভোট নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
চূড়ান্ত নির্বাচনী তফসিল কবে ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, তফসিল ঘোষণার বিষয়টি পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। এ মুহূর্তে তফসিলের নির্দিষ্ট কোনো তথ্য তাঁর কাছে নেই।
স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী বিধিমালা সংস্কারের সম্ভাব্য উদ্যোগের বিষয়ে ইসি সচিব জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ না রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে বিধিমালায় আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে বলা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে একটি প্রাথমিক রোডম্যাপ প্রকাশ করেন। তিনি জানিয়েছিলেন, আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নভেম্বর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সারাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এরপর পর্যায়ক্রমে সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও জেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট

আপনার মতামত লিখুন