পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় নওগাঁ সদর থানা পুলিশের অভিযানে হানিট্র্যাপ চক্রের এক নারী সদস্যসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ভুক্তভোগীর কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া সাদা স্ট্যাম্প ও দুই লাখ টাকার চেক উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানা এলাকার এক স্কুলশিক্ষকের পূর্বপরিচিত একই গ্রামের বাসিন্দা মোছা. চামেলী আক্তার মিলির সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল ফোনে কথা হতো। গত ২৫ আগস্ট ২০২৬ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিলি তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন থেকে ওই শিক্ষককে জরুরি বিষয়ে কথা বলার জন্য নওগাঁ শহরের তার বাসায় আসতে বলেন। জরুরি বিষয়ের কথা শুনে সরল বিশ্বাসে ওই শিক্ষক সেখানে যান।
বাসায় যাওয়ার পর মিলিসহ অজ্ঞাত আরও ২-৩ জন ব্যক্তি ওই শিক্ষককে আটক করে মারধরের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া ৩০০ টাকার একটি সাদা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া এবং দুই লাখ টাকার একটি চেক লিখিয়ে নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রায় এক সপ্তাহ আগে নওগাঁ সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়। এরপর পুলিশ বিরামহীন অভিযান চালিয়ে চক্রটির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—
১. মোছা. চামেলী আক্তার মিলি (৪৫), স্বামী—মৃত হামিদুর রহমান, কোমাইগাড়ি পূর্বপাড়া, নদীর পশ্চিম পার্শ্বে, নওগাঁ সদর।
২. মো. রাকিব হাসান (২৯), পিতা—মো. নান্টু প্রামাণিক, বেড়াহাসন, সাহাগোলা, আত্রাই।
৩. মো. সোহরাব হোসেন (২৬), পিতা—মো. সেকান্দর আলী, নিহনপুর পূর্বপাড়া, বদলগাছী।
৪. মো. নাঈম হোসেন (২৫), পিতা—মো. সামসুল ইসলাম, ফুটানিগঞ্জ, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।
নওগাঁ সদর থানা পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া স্ট্যাম্প ও দুই লাখ টাকার চেক উদ্ধার করেছে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে পুলিশ জানতে পারে, আন্তঃউপজেলা এই প্রতারক চক্রটি সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী বিভিন্ন মানুষকে নানা ধরনের প্রলোভনে ফেলে, ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং কখনো ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা-পয়সা আদায় করত।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় নওগাঁ সদর থানা পুলিশের অভিযানে হানিট্র্যাপ চক্রের এক নারী সদস্যসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ভুক্তভোগীর কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া সাদা স্ট্যাম্প ও দুই লাখ টাকার চেক উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানা এলাকার এক স্কুলশিক্ষকের পূর্বপরিচিত একই গ্রামের বাসিন্দা মোছা. চামেলী আক্তার মিলির সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল ফোনে কথা হতো। গত ২৫ আগস্ট ২০২৬ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিলি তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন থেকে ওই শিক্ষককে জরুরি বিষয়ে কথা বলার জন্য নওগাঁ শহরের তার বাসায় আসতে বলেন। জরুরি বিষয়ের কথা শুনে সরল বিশ্বাসে ওই শিক্ষক সেখানে যান।
বাসায় যাওয়ার পর মিলিসহ অজ্ঞাত আরও ২-৩ জন ব্যক্তি ওই শিক্ষককে আটক করে মারধরের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া ৩০০ টাকার একটি সাদা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া এবং দুই লাখ টাকার একটি চেক লিখিয়ে নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রায় এক সপ্তাহ আগে নওগাঁ সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়। এরপর পুলিশ বিরামহীন অভিযান চালিয়ে চক্রটির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—
১. মোছা. চামেলী আক্তার মিলি (৪৫), স্বামী—মৃত হামিদুর রহমান, কোমাইগাড়ি পূর্বপাড়া, নদীর পশ্চিম পার্শ্বে, নওগাঁ সদর।
২. মো. রাকিব হাসান (২৯), পিতা—মো. নান্টু প্রামাণিক, বেড়াহাসন, সাহাগোলা, আত্রাই।
৩. মো. সোহরাব হোসেন (২৬), পিতা—মো. সেকান্দর আলী, নিহনপুর পূর্বপাড়া, বদলগাছী।
৪. মো. নাঈম হোসেন (২৫), পিতা—মো. সামসুল ইসলাম, ফুটানিগঞ্জ, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।
নওগাঁ সদর থানা পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া স্ট্যাম্প ও দুই লাখ টাকার চেক উদ্ধার করেছে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে পুলিশ জানতে পারে, আন্তঃউপজেলা এই প্রতারক চক্রটি সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী বিভিন্ন মানুষকে নানা ধরনের প্রলোভনে ফেলে, ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং কখনো ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা-পয়সা আদায় করত।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন