বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা অবশিষ্ট মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সুযোগ থাকা অবস্থাতেই তাদের দেশে ফিরে যাওয়া উচিত।
ইরানের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় নিজেদের সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে বলেও উল্লেখ করেন আজিজি। তিনি বলেন, ইরানের নৌবাহিনী এইমাত্র একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পরিচালনার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অবশিষ্ট মার্কিন বাহিনীর প্রতি তাদের বার্তা হলো—যেসব সরঞ্জাম এখনো রয়েছে, সেগুলো নিয়ে সুযোগ থাকতেই দেশে ফিরে যেতে হবে এবং নিজেদের সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে।
এর আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেছিলেন, পশ্চিম এশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের নেই।
তিনি দাবি করেন, ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনী মনোবল, অস্ত্র এবং যুদ্ধজাহাজ—সব ক্ষেত্রেই মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি অথবা দুর্বলতার মুখে পড়েছে।
মোহেব্বি আরও জানান, ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক আগ্রাসনের আগে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও নৌযান মোতায়েন ছিল। তবে বর্তমানে ওই অঞ্চলে এসব মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও নৌযানের একটিও নেই বলে দাবি করেন তিনি।
সূত্র: বার্তা সংস্থা মেহের

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা অবশিষ্ট মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সুযোগ থাকা অবস্থাতেই তাদের দেশে ফিরে যাওয়া উচিত।
ইরানের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় নিজেদের সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে বলেও উল্লেখ করেন আজিজি। তিনি বলেন, ইরানের নৌবাহিনী এইমাত্র একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পরিচালনার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অবশিষ্ট মার্কিন বাহিনীর প্রতি তাদের বার্তা হলো—যেসব সরঞ্জাম এখনো রয়েছে, সেগুলো নিয়ে সুযোগ থাকতেই দেশে ফিরে যেতে হবে এবং নিজেদের সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে।
এর আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেছিলেন, পশ্চিম এশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের নেই।
তিনি দাবি করেন, ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনী মনোবল, অস্ত্র এবং যুদ্ধজাহাজ—সব ক্ষেত্রেই মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি অথবা দুর্বলতার মুখে পড়েছে।
মোহেব্বি আরও জানান, ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক আগ্রাসনের আগে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও নৌযান মোতায়েন ছিল। তবে বর্তমানে ওই অঞ্চলে এসব মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও নৌযানের একটিও নেই বলে দাবি করেন তিনি।
সূত্র: বার্তা সংস্থা মেহের

আপনার মতামত লিখুন