ঢাকা    শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

আন্তর্জাতিক

পশ্চিম তীরে আরও ১,৬৭০ আবাসন ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা ইসরাইলের

পশ্চিম তীরে আরও ১,৬৭০ আবাসন ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা ইসরাইলের
পশ্চিম তীরে আরও ১,৬৭০ আবাসন ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা ইসরাইলের

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতিগুলোতে নতুন করে ১ হাজার ৬৭০টি আবাসন ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। ফিলিস্তিনের ওয়াল অ্যান্ড সেটেলমেন্ট রেজিস্ট্যান্স কমিশন বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

কমিশন জানায়, পশ্চিম তীরের ইহুদি বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর ১২টি পশ্চিমা দেশের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত এবং ইসরাইলকে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধের আহ্বানের পরপরই নতুন নির্মাণ পরিকল্পনাগুলো সামনে এসেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১০৪টি নতুন ইহুদি বসতি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে ১৬০টি কৃষিভিত্তিক বসতি-ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে কমিশন।

কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা পরিকল্পনার মধ্যে বেথলেহেমের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত মায়ালে আমোস বসতিতে ৩৬৫টি এবং রামাল্লাহর উত্তর-পশ্চিমে তালমোন বসতিতে ২০০টি নতুন আবাসন ইউনিট নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া আরও তিনটি ইহুদি বসতি এলাকা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলো হলো রামাল্লাহ-নাবলুস সীমান্তের আমিহাই, জেরিকো এলাকার আইন ইয়াতাভ এবং জেনিন এলাকার মাওজ তজভি।

পরিকল্পনাগুলোর আওতায় ১ হাজার ১২৫ ডুনাম বা প্রায় ২৭৮ একর জমিতে ৭৪৯টি আবাসন ইউনিট নির্মাণের কথা রয়েছে। পাশাপাশি সালফিত এলাকার পেদুয়েল বসতিতে ৯৫টি এবং আলেই জাহাভ বসতিতে ২৫৯টি নতুন ইউনিট যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। জেরুজালেমের উত্তর-পশ্চিমে গিভাত জিভ বসতিতেও আরও দুটি ইউনিট নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে।

কমিশনের দাবি, এসব পরিকল্পনা থেকে বোঝা যায়, ইসরাইল কেবল বিদ্যমান বসতিগুলোর পরিধি বাড়াচ্ছে না; একই সঙ্গে পশ্চিম তীরজুড়ে নতুন ও স্থায়ী ইহুদি বসতি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও নিচ্ছে।

আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরাইলের দখলে থাকা পশ্চিম তীরকে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অধিকৃত ভূখণ্ডে দখলদার রাষ্ট্রের নিজস্ব জনসংখ্যাকে স্থানান্তর আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ বলে বিবেচিত।

এরপরও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অধিকৃত পশ্চিম তীরে বিদ্যমান ইহুদি বসতিগুলোর সম্প্রসারণ এবং নতুন বসতি স্থাপনের কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে ইসরাইল।

সূত্র: আনাদোলু

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পশ্চিম তীরে আরও ১,৬৭০ আবাসন ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা ইসরাইলের

প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতিগুলোতে নতুন করে ১ হাজার ৬৭০টি আবাসন ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। ফিলিস্তিনের ওয়াল অ্যান্ড সেটেলমেন্ট রেজিস্ট্যান্স কমিশন বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

কমিশন জানায়, পশ্চিম তীরের ইহুদি বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর ১২টি পশ্চিমা দেশের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত এবং ইসরাইলকে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধের আহ্বানের পরপরই নতুন নির্মাণ পরিকল্পনাগুলো সামনে এসেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১০৪টি নতুন ইহুদি বসতি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে ১৬০টি কৃষিভিত্তিক বসতি-ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে কমিশন।

কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা পরিকল্পনার মধ্যে বেথলেহেমের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত মায়ালে আমোস বসতিতে ৩৬৫টি এবং রামাল্লাহর উত্তর-পশ্চিমে তালমোন বসতিতে ২০০টি নতুন আবাসন ইউনিট নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া আরও তিনটি ইহুদি বসতি এলাকা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলো হলো রামাল্লাহ-নাবলুস সীমান্তের আমিহাই, জেরিকো এলাকার আইন ইয়াতাভ এবং জেনিন এলাকার মাওজ তজভি।

পরিকল্পনাগুলোর আওতায় ১ হাজার ১২৫ ডুনাম বা প্রায় ২৭৮ একর জমিতে ৭৪৯টি আবাসন ইউনিট নির্মাণের কথা রয়েছে। পাশাপাশি সালফিত এলাকার পেদুয়েল বসতিতে ৯৫টি এবং আলেই জাহাভ বসতিতে ২৫৯টি নতুন ইউনিট যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। জেরুজালেমের উত্তর-পশ্চিমে গিভাত জিভ বসতিতেও আরও দুটি ইউনিট নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে।

কমিশনের দাবি, এসব পরিকল্পনা থেকে বোঝা যায়, ইসরাইল কেবল বিদ্যমান বসতিগুলোর পরিধি বাড়াচ্ছে না; একই সঙ্গে পশ্চিম তীরজুড়ে নতুন ও স্থায়ী ইহুদি বসতি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও নিচ্ছে।

আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরাইলের দখলে থাকা পশ্চিম তীরকে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অধিকৃত ভূখণ্ডে দখলদার রাষ্ট্রের নিজস্ব জনসংখ্যাকে স্থানান্তর আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ বলে বিবেচিত।

এরপরও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অধিকৃত পশ্চিম তীরে বিদ্যমান ইহুদি বসতিগুলোর সম্প্রসারণ এবং নতুন বসতি স্থাপনের কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে ইসরাইল।

সূত্র: আনাদোলু


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
পশ্চিম তীরে আরও ১,৬৭০ আবাসন ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা ইসরাইলের
0:00 0:00
1.0x