বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’-এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, ২০১৪ সালের মে মাসে নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত সাত খুনের ঘটনার পর র্যাব স্কোয়াডকে ‘কিলিং স্কোয়াড’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ওই সময় তিনি র্যাব সংস্কারের কথা না বলে সরাসরি বাহিনীটি বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালেও তিনি র্যাবকে ‘ক্যানসার’ হিসেবে উল্লেখ করে বাহিনী বিলুপ্তির দাবি করেন।
তিনি বলেন, এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পুলিশ সংস্কার কমিশনের কাছে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করে। এ সংসদেও বিরোধীদলীয় নেতা ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ র্যাব বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং গুম কমিশনও র্যাব বিলুপ্ত করার সুপারিশ করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় র্যাবের জনবল, কার্যালয়, ক্ষমতা, নথিপত্র, সম্পদ, চুক্তি এবং দায়-দায়িত্ব সরাসরি ‘এসআরবি’ নামে নতুন বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। তার ভাষায়, এতে মূলত শুধু সাইনবোর্ড পরিবর্তন হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘নতুন বোতলে পুরোনো মদ।’ র্যাবের নাম পরিবর্তন ছাড়া বাহিনীটির অন্য কোনো বিষয়েই কার্যকর পরিবর্তন আনা হচ্ছে না; বরং সবকিছু আগের মতোই রাখা হচ্ছে।
সূত্র: আরটিভি/টিআর

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’-এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, ২০১৪ সালের মে মাসে নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত সাত খুনের ঘটনার পর র্যাব স্কোয়াডকে ‘কিলিং স্কোয়াড’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ওই সময় তিনি র্যাব সংস্কারের কথা না বলে সরাসরি বাহিনীটি বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালেও তিনি র্যাবকে ‘ক্যানসার’ হিসেবে উল্লেখ করে বাহিনী বিলুপ্তির দাবি করেন।
তিনি বলেন, এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পুলিশ সংস্কার কমিশনের কাছে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করে। এ সংসদেও বিরোধীদলীয় নেতা ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ র্যাব বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং গুম কমিশনও র্যাব বিলুপ্ত করার সুপারিশ করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় র্যাবের জনবল, কার্যালয়, ক্ষমতা, নথিপত্র, সম্পদ, চুক্তি এবং দায়-দায়িত্ব সরাসরি ‘এসআরবি’ নামে নতুন বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। তার ভাষায়, এতে মূলত শুধু সাইনবোর্ড পরিবর্তন হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘নতুন বোতলে পুরোনো মদ।’ র্যাবের নাম পরিবর্তন ছাড়া বাহিনীটির অন্য কোনো বিষয়েই কার্যকর পরিবর্তন আনা হচ্ছে না; বরং সবকিছু আগের মতোই রাখা হচ্ছে।
সূত্র: আরটিভি/টিআর

আপনার মতামত লিখুন