শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে রিজভী বলেন, নারীর সার্বিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে সরকারের নেওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিকে তিনি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তৃণমূল পর্যায়ে এই কর্মসূচি সফলভাবে পৌঁছে দিতে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
দলীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্বের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় প্রত্যেক নেতাকর্মীই সরকারের অংশ। তবে শুধু পদ-পদবি থাকলেই সরকারের অংশ হতে হবে—বিষয়টি এমন নয়।
বর্তমান রাষ্ট্রকাঠামো বিনির্মাণে নারী নেতৃত্বের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারের সঙ্গে মহিলা দলের নেতাকর্মীদেরও রক্ত-ঘাম জড়িয়ে আছে। তাই তারাও এই সরকারের অংশ।
রিজভী আরও বলেন, এখন নুসরাত, রুপা, খাদিজা, তনু ও মিতুর মতো হত্যাকাণ্ড আর ঘটছে না এবং তারা নির্যাতনের শিকারও হচ্ছেন না। সরকারি দলের কোনো নেতাকর্মীও এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, এখন এ ধরনের কোনো সংবাদও নেই।
সমাবেশ থেকে সরকারের উন্নয়নমূলক বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন রিজভী। তিনি বলেন, সমাজে নারীর অবস্থান আরও শক্তিশালী করা এবং সামাজিক সুরক্ষার বলয় গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার যেসব সময়োপযোগী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, সেসব উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি তুলে ধরতে মহিলা দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকতে হবে।
সূত্র: ইত্তেফাক

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে রিজভী বলেন, নারীর সার্বিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে সরকারের নেওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিকে তিনি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তৃণমূল পর্যায়ে এই কর্মসূচি সফলভাবে পৌঁছে দিতে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
দলীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্বের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় প্রত্যেক নেতাকর্মীই সরকারের অংশ। তবে শুধু পদ-পদবি থাকলেই সরকারের অংশ হতে হবে—বিষয়টি এমন নয়।
বর্তমান রাষ্ট্রকাঠামো বিনির্মাণে নারী নেতৃত্বের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারের সঙ্গে মহিলা দলের নেতাকর্মীদেরও রক্ত-ঘাম জড়িয়ে আছে। তাই তারাও এই সরকারের অংশ।
রিজভী আরও বলেন, এখন নুসরাত, রুপা, খাদিজা, তনু ও মিতুর মতো হত্যাকাণ্ড আর ঘটছে না এবং তারা নির্যাতনের শিকারও হচ্ছেন না। সরকারি দলের কোনো নেতাকর্মীও এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, এখন এ ধরনের কোনো সংবাদও নেই।
সমাবেশ থেকে সরকারের উন্নয়নমূলক বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন রিজভী। তিনি বলেন, সমাজে নারীর অবস্থান আরও শক্তিশালী করা এবং সামাজিক সুরক্ষার বলয় গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার যেসব সময়োপযোগী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, সেসব উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি তুলে ধরতে মহিলা দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকতে হবে।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন