এক ভিডিও বার্তায় আল-বুরশ বলেন, বর্তমানে যে অল্প পরিমাণ জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে, সেটি দিয়েই কোনোভাবে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম চালু রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে ডিজেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে নতুন করে সংকট তৈরি হবে এবং গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বেড়ে যাবে।
তিনি বলেন, ডিজেল না থাকলে শুধু হাসপাতালের জেনারেটরই বন্ধ হবে না; অস্ত্রোপচারকক্ষ ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের কার্যক্রমও ব্যাহত হবে। ভেন্টিলেটর এবং অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থাও অচল হয়ে পড়বে। এতে ইনকিউবেটরে থাকা নবজাতক, ডায়ালাইসিস নেওয়া রোগী, আহত ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়বে।
আল-বুরশ আরও জানান, জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হলে অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং ওষুধ ও টিকা সংরক্ষণের ব্যবস্থাও অচল হয়ে যাবে। তাঁর মতে, এটি কেবল সাময়িক জ্বালানি সংকট নয়; বরং এর ফলে হাসপাতালগুলো পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার দিকে যেতে পারে এবং প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ডিজেল সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ডব্লিউএইচও, দাতা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।
তবে ডিজেল সরবরাহ বন্ধের বিষয়ে ডব্লিউএইচওর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এক ভিডিও বার্তায় আল-বুরশ বলেন, বর্তমানে যে অল্প পরিমাণ জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে, সেটি দিয়েই কোনোভাবে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম চালু রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে ডিজেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে নতুন করে সংকট তৈরি হবে এবং গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বেড়ে যাবে।
তিনি বলেন, ডিজেল না থাকলে শুধু হাসপাতালের জেনারেটরই বন্ধ হবে না; অস্ত্রোপচারকক্ষ ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের কার্যক্রমও ব্যাহত হবে। ভেন্টিলেটর এবং অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থাও অচল হয়ে পড়বে। এতে ইনকিউবেটরে থাকা নবজাতক, ডায়ালাইসিস নেওয়া রোগী, আহত ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়বে।
আল-বুরশ আরও জানান, জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হলে অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং ওষুধ ও টিকা সংরক্ষণের ব্যবস্থাও অচল হয়ে যাবে। তাঁর মতে, এটি কেবল সাময়িক জ্বালানি সংকট নয়; বরং এর ফলে হাসপাতালগুলো পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার দিকে যেতে পারে এবং প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ডিজেল সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ডব্লিউএইচও, দাতা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।
তবে ডিজেল সরবরাহ বন্ধের বিষয়ে ডব্লিউএইচওর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন