আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাবাল সাঈদ এলাকায় ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও অনুসন্ধান পরিচালনার মাধ্যমে ভারী দুর্লভ খনিজ উপাদান এবং আশাব্যঞ্জক ঘনত্বের ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এই আবিষ্কারের কয়েক মাস আগে, গত ২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি সচিব ক্রিস রাইট ও সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলআজিজ বিন সালমানের মধ্যে বেসামরিক পারমাণবিক সহায়তা নিয়ে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের সহায়তায় সৌদি আরবের পারমাণবিক প্রকল্পে নতুন গতি আসে।
বিশেষ করে ২০২৫ সালের নভেম্বরে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরের পর খনিজ খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ে। ওই সফরের সময় সৌদি রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’ ও মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘এমপি মেটেরিয়ালস’-এর মধ্যে যৌথ অংশীদারিত্বের একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, নির্মাণের পরিকল্পনা থাকা নতুন প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্টের ৪৯ শতাংশ অর্থায়নে সম্মত হয় মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ।
জেদ্দা থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত জাবাল সাঈদ খনি এরই মধ্যে বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ খনিজ ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই এলাকায় প্রায় ৫ লাখ ৫২ হাজার টন ভারী দুর্লভ খনিজ উপাদান এবং ৩ লাখ ৫৫ হাজার টন হালকা খনিজ উপাদান রয়েছে। এর পাশাপাশি সেখানে প্রায় ৩১ হাজার টন ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে।
বর্তমানে বিশ্বমানের এসব খনিজ সম্পদের আনুমানিক মোট মূল্য ১০০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮ সালের তুলনায় এই মূল্য প্রায় ৯০ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া সৌদি আরবের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ৬৪ কোটি ৪০ লাখ টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন আরও দুটি উন্নত খনিজ অঞ্চল শনাক্ত করেছে।
সূত্র: আরব নিউজ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাবাল সাঈদ এলাকায় ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও অনুসন্ধান পরিচালনার মাধ্যমে ভারী দুর্লভ খনিজ উপাদান এবং আশাব্যঞ্জক ঘনত্বের ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এই আবিষ্কারের কয়েক মাস আগে, গত ২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি সচিব ক্রিস রাইট ও সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলআজিজ বিন সালমানের মধ্যে বেসামরিক পারমাণবিক সহায়তা নিয়ে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের সহায়তায় সৌদি আরবের পারমাণবিক প্রকল্পে নতুন গতি আসে।
বিশেষ করে ২০২৫ সালের নভেম্বরে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরের পর খনিজ খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ে। ওই সফরের সময় সৌদি রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’ ও মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘এমপি মেটেরিয়ালস’-এর মধ্যে যৌথ অংশীদারিত্বের একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, নির্মাণের পরিকল্পনা থাকা নতুন প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্টের ৪৯ শতাংশ অর্থায়নে সম্মত হয় মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ।
জেদ্দা থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত জাবাল সাঈদ খনি এরই মধ্যে বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ খনিজ ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই এলাকায় প্রায় ৫ লাখ ৫২ হাজার টন ভারী দুর্লভ খনিজ উপাদান এবং ৩ লাখ ৫৫ হাজার টন হালকা খনিজ উপাদান রয়েছে। এর পাশাপাশি সেখানে প্রায় ৩১ হাজার টন ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে।
বর্তমানে বিশ্বমানের এসব খনিজ সম্পদের আনুমানিক মোট মূল্য ১০০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮ সালের তুলনায় এই মূল্য প্রায় ৯০ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া সৌদি আরবের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ৬৪ কোটি ৪০ লাখ টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন আরও দুটি উন্নত খনিজ অঞ্চল শনাক্ত করেছে।
সূত্র: আরব নিউজ

আপনার মতামত লিখুন