বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাভারের একটি মাদরাসায় সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর ওপর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে যৌন নিপীড়নের খবর নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত। তাদের মতে, দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অপরাধ নৈতিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকেও গুরুতর হুমকির মুখে ফেলে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসলামে অনৈতিক যৌন সম্পর্ক, প্রকৃতিবিরুদ্ধ আচরণ ও যৌন নিপীড়নসহ সমকামিতাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ও গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। শিশুদের ওপর এ ধরনের সহিংসতায় জড়িত শিক্ষক বা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইসলামি আদর্শ ও মাদরাসার পবিত্র পরিবেশের কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, বিভিন্ন গবেষণামূলক বিশ্লেষণে সমকামী ও উভকামী ব্যক্তিদের মাধ্যমে শিশুদের যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে জানা যায়। সমাজে এ ধরনের প্রবণতা প্রতিরোধ করা না গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা মনে করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত কয়েক বছরে পশ্চিমা অর্থায়নে বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে সমকামী আচরণকে স্বাভাবিকীকরণের কার্যক্রম দৃশ্যমানভাবে বেড়েছে। এনজিও সহযোগিতা ও বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে সমকামী নেটওয়ার্ক বিস্তারের পাশাপাশি সমকামিতা প্রতিরোধে দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারাও কার্যত নিষ্ক্রিয় রাখা হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়। এর ফলে সমকামিতা সমাজের বিভিন্ন স্তরে এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ছড়িয়ে পড়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। সমাজে অবক্ষয় দেখা দিলে মাদরাসাগুলোও তার প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতে পারে না বলেও বিবৃতিতে বলা হয়।
আলেমরা বলেন, মানুষের আস্থার জায়গা মাদরাসাগুলোতে কোনো অনাচার তারা দেখতে চান না। কুরআন-সুন্নাহর আইনের যথাযথ প্রয়োগেই এ সমস্যার সমাধান রয়েছে বলে তারা বিশ্বাস করেন। তবে যতদিন কুরআন-সুন্নাহর আইন প্রতিষ্ঠিত না হচ্ছে, ততদিন বিদ্যমান আইন প্রয়োগের মাধ্যমেও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধের আহ্বান জানান তারা।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইংল্যান্ডে ১৫৩৩ সালে রাজা অষ্টম হেনরির আমলে সমকামী আচরণ ও পশুকামিতার বিরুদ্ধে ‘Buggery Act 1533’ প্রণয়ন করা হয়েছিল। ওই আইনের ধারণাকে ভিত্তি করে ব্রিটিশরা তাদের উপনিবেশগুলোতে ৩৭৭ ধারার বিভিন্ন সংস্করণ তৈরি করে এবং ৫০টিরও বেশি ঔপনিবেশিক অঞ্চলে প্রকৃতিবিরুদ্ধ অপরাধসংক্রান্ত একই ধরনের আইন চালু করেছিল বলে বিবৃতিতে বলা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারাতেও প্রকৃতিবিরুদ্ধ ও অস্বাভাবিক যৌন অপরাধের বিচার এবং শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে এ ধারার কার্যকর প্রয়োগ না হওয়ায় অনৈতিকতার বিস্তার ঘটছে বলে দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ৯২ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ এবং ইসলামের দৃষ্টিতে সমকামিতা নিকৃষ্টতম পাপাচার। স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেস—যেখানেই সমকামিতার মতো পাপাচার বা সমকামী সহিংসতার ঘটনা ঘটুক না কেন, অপরাধীদের ৩৭৭ ধারার আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সমকামিতার প্রচার ও প্রসারের সঙ্গে জড়িত প্রতিটি এনজিওর বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সাভারের ঘটনাটিকে ‘নজিরবিহীন ন্যাক্কারজনক’ উল্লেখ করে বিবৃতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রত্যেককে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ৩৭৭ ধারাসহ অন্যান্য প্রযোজ্য আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে যথাযথ ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতি প্রদানকারীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা মূল্যবোধ ডট কম (mullobodh.com) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন—জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, ড্যাফোডিল ইসলামিক সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর মোখতার আহমাদ, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাসজিদুত তাকওয়া ধানমন্ডির খতিব মুফতি সাইফুল ইসলাম, সাইন্সল্যাব বায়তুল মামুর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা হাসান জামিল এবং মাসজিদুল জুমা কমপ্লেক্স পল্লবীর খতিব আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ।
এ ছাড়া রয়েছেন লেখক ও গবেষক শায়খুল হাদিস মাওলানা আবুল বাশার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতী মাসউদুল করীম, বাইতুশ শাকুর জামে মসজিদ মিরপুরের খতিব ড. হাফেজ এবিএম হিজবুল্লাহ, মারকাযু দিরাসাতিল ইকতিসাদিল ইসলামীর মুহতামিম ড. মুফতি ইউসুফ সুলতান, মহানগর প্রজেক্ট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা তাহমীদুল মাওলা, ফজর ইনস্টিটিউট ঢাকার মুহতামিম রুহুল আমীন সাদী, জামেয়া মাহমুদিয়া যাত্রাবাড়ির শিক্ষক মুফতি রেজাউল কারীম আবরার, রুপায়ন সিটি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ শামছুদ্দোহা আশরাফী, মাদরাসাতু বানাতিল ইসলাম ঢাকার খতিব আবদুল্লাহ আল ফারুক, দ্বীনিয়াত বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মুফতি সালমান আহমদ, মাদরাসাতুল কুরআন লিলবানাত মুহাম্মদপুরের মুহতামিম মুফতি সাঈদ আহমাদ, সুনিবিড় হাউজিং সোসাইটি জামে মসজিদ মুহাম্মাদপুরের খতিব মুফতি আরিফ জাব্বার কাসেমী, তা’লীমুল ইসলাম ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকার মুহতামিম মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজী, সরকারি তিতুমীর কলেজ জামে মসজিদের খতিব মুফতি ইরফান জিয়া এবং মসজিদ-ই বাক্কাতিল মোবারকাহ কলাবাগানের খতিব মুফতি আবু মুহাম্মাদ রাহমানীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট আলেম।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাভারের একটি মাদরাসায় সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর ওপর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে যৌন নিপীড়নের খবর নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত। তাদের মতে, দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অপরাধ নৈতিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকেও গুরুতর হুমকির মুখে ফেলে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসলামে অনৈতিক যৌন সম্পর্ক, প্রকৃতিবিরুদ্ধ আচরণ ও যৌন নিপীড়নসহ সমকামিতাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ও গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। শিশুদের ওপর এ ধরনের সহিংসতায় জড়িত শিক্ষক বা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইসলামি আদর্শ ও মাদরাসার পবিত্র পরিবেশের কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, বিভিন্ন গবেষণামূলক বিশ্লেষণে সমকামী ও উভকামী ব্যক্তিদের মাধ্যমে শিশুদের যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে জানা যায়। সমাজে এ ধরনের প্রবণতা প্রতিরোধ করা না গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা মনে করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত কয়েক বছরে পশ্চিমা অর্থায়নে বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে সমকামী আচরণকে স্বাভাবিকীকরণের কার্যক্রম দৃশ্যমানভাবে বেড়েছে। এনজিও সহযোগিতা ও বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে সমকামী নেটওয়ার্ক বিস্তারের পাশাপাশি সমকামিতা প্রতিরোধে দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারাও কার্যত নিষ্ক্রিয় রাখা হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়। এর ফলে সমকামিতা সমাজের বিভিন্ন স্তরে এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ছড়িয়ে পড়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। সমাজে অবক্ষয় দেখা দিলে মাদরাসাগুলোও তার প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতে পারে না বলেও বিবৃতিতে বলা হয়।
আলেমরা বলেন, মানুষের আস্থার জায়গা মাদরাসাগুলোতে কোনো অনাচার তারা দেখতে চান না। কুরআন-সুন্নাহর আইনের যথাযথ প্রয়োগেই এ সমস্যার সমাধান রয়েছে বলে তারা বিশ্বাস করেন। তবে যতদিন কুরআন-সুন্নাহর আইন প্রতিষ্ঠিত না হচ্ছে, ততদিন বিদ্যমান আইন প্রয়োগের মাধ্যমেও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধের আহ্বান জানান তারা।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইংল্যান্ডে ১৫৩৩ সালে রাজা অষ্টম হেনরির আমলে সমকামী আচরণ ও পশুকামিতার বিরুদ্ধে ‘Buggery Act 1533’ প্রণয়ন করা হয়েছিল। ওই আইনের ধারণাকে ভিত্তি করে ব্রিটিশরা তাদের উপনিবেশগুলোতে ৩৭৭ ধারার বিভিন্ন সংস্করণ তৈরি করে এবং ৫০টিরও বেশি ঔপনিবেশিক অঞ্চলে প্রকৃতিবিরুদ্ধ অপরাধসংক্রান্ত একই ধরনের আইন চালু করেছিল বলে বিবৃতিতে বলা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারাতেও প্রকৃতিবিরুদ্ধ ও অস্বাভাবিক যৌন অপরাধের বিচার এবং শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে এ ধারার কার্যকর প্রয়োগ না হওয়ায় অনৈতিকতার বিস্তার ঘটছে বলে দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ৯২ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ এবং ইসলামের দৃষ্টিতে সমকামিতা নিকৃষ্টতম পাপাচার। স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেস—যেখানেই সমকামিতার মতো পাপাচার বা সমকামী সহিংসতার ঘটনা ঘটুক না কেন, অপরাধীদের ৩৭৭ ধারার আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সমকামিতার প্রচার ও প্রসারের সঙ্গে জড়িত প্রতিটি এনজিওর বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সাভারের ঘটনাটিকে ‘নজিরবিহীন ন্যাক্কারজনক’ উল্লেখ করে বিবৃতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রত্যেককে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ৩৭৭ ধারাসহ অন্যান্য প্রযোজ্য আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে যথাযথ ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতি প্রদানকারীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা মূল্যবোধ ডট কম (mullobodh.com) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন—জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, ড্যাফোডিল ইসলামিক সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর মোখতার আহমাদ, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাসজিদুত তাকওয়া ধানমন্ডির খতিব মুফতি সাইফুল ইসলাম, সাইন্সল্যাব বায়তুল মামুর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা হাসান জামিল এবং মাসজিদুল জুমা কমপ্লেক্স পল্লবীর খতিব আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ।
এ ছাড়া রয়েছেন লেখক ও গবেষক শায়খুল হাদিস মাওলানা আবুল বাশার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতী মাসউদুল করীম, বাইতুশ শাকুর জামে মসজিদ মিরপুরের খতিব ড. হাফেজ এবিএম হিজবুল্লাহ, মারকাযু দিরাসাতিল ইকতিসাদিল ইসলামীর মুহতামিম ড. মুফতি ইউসুফ সুলতান, মহানগর প্রজেক্ট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা তাহমীদুল মাওলা, ফজর ইনস্টিটিউট ঢাকার মুহতামিম রুহুল আমীন সাদী, জামেয়া মাহমুদিয়া যাত্রাবাড়ির শিক্ষক মুফতি রেজাউল কারীম আবরার, রুপায়ন সিটি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ শামছুদ্দোহা আশরাফী, মাদরাসাতু বানাতিল ইসলাম ঢাকার খতিব আবদুল্লাহ আল ফারুক, দ্বীনিয়াত বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মুফতি সালমান আহমদ, মাদরাসাতুল কুরআন লিলবানাত মুহাম্মদপুরের মুহতামিম মুফতি সাঈদ আহমাদ, সুনিবিড় হাউজিং সোসাইটি জামে মসজিদ মুহাম্মাদপুরের খতিব মুফতি আরিফ জাব্বার কাসেমী, তা’লীমুল ইসলাম ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকার মুহতামিম মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজী, সরকারি তিতুমীর কলেজ জামে মসজিদের খতিব মুফতি ইরফান জিয়া এবং মসজিদ-ই বাক্কাতিল মোবারকাহ কলাবাগানের খতিব মুফতি আবু মুহাম্মাদ রাহমানীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট আলেম।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন