শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের অংশ হিসেবে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী চৌমাথায় আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না। কাউকে ভয় পাওয়ার প্রশ্নও নেই। বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তাদের কাউকেই ভয় পাওয়ার সময় নেই।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পক্ষ থেকে তাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, গত লংমার্চে তারেক রহমান বলেছিলেন, দেশে আইন রয়েছে এবং একে একে সবাইকে জেলে পাঠানো হবে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তারা তখন স্লোগান দিয়েছিলেন—জেলে ভরে কিংবা জুলুম করে তাদের দমিয়ে রাখা যাবে না। অত্যাচারীর শিকল দিয়েও তাদের থামানো সম্ভব নয়।
পলাশবাড়ীর পথসভায় তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর উত্তরসূরীরা কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা চাপের কাছে মাথা নত করবেন না। বিচার ও অধিকার আদায়ের দাবিতে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এদিন ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আট দফা দাবি নিয়ে ঢাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে যাত্রা শুরু করে লংমার্চটি। পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার বিভিন্ন স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী চৌমাথায় পথসভা করা হয়।
পলাশবাড়ী চৌমাথার কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর লংমার্চের গাড়িবহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের অংশ হিসেবে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী চৌমাথায় আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না। কাউকে ভয় পাওয়ার প্রশ্নও নেই। বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তাদের কাউকেই ভয় পাওয়ার সময় নেই।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পক্ষ থেকে তাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, গত লংমার্চে তারেক রহমান বলেছিলেন, দেশে আইন রয়েছে এবং একে একে সবাইকে জেলে পাঠানো হবে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তারা তখন স্লোগান দিয়েছিলেন—জেলে ভরে কিংবা জুলুম করে তাদের দমিয়ে রাখা যাবে না। অত্যাচারীর শিকল দিয়েও তাদের থামানো সম্ভব নয়।
পলাশবাড়ীর পথসভায় তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর উত্তরসূরীরা কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা চাপের কাছে মাথা নত করবেন না। বিচার ও অধিকার আদায়ের দাবিতে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এদিন ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আট দফা দাবি নিয়ে ঢাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে যাত্রা শুরু করে লংমার্চটি। পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার বিভিন্ন স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী চৌমাথায় পথসভা করা হয়।
পলাশবাড়ী চৌমাথার কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর লংমার্চের গাড়িবহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন