শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে অপ্রতীমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করে বের করা এবং এর সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান।
শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অপ্রতীমের মা ড. নাহিদা বেগম, বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার এবং স্বজনদের এই অসহনীয় শোক সহ্য করার শক্তি দিতে তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন। একই সঙ্গে অপ্রতীমের রূহের মাগফিরাত ও শাহাদা কামনা করেন তিনি।
তিনি বলেন, কৈশোরের আনন্দময় সময়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য যে শিশুটি ঘর থেকে বের হয়েছিল, তাকে আর জীবিত অবস্থায় ফিরে আসতে দেওয়া হয়নি। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় কোনো বিবেকবান মানুষের পক্ষেই নির্বিকার থাকা সম্ভব নয়।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অপ্রতীম ছিল তার মা-বাবার একমাত্র সন্তান এবং তাদের স্বপ্ন ও ভালোবাসার কেন্দ্র। একটি সন্তানকে ঘিরে মা-বাবার অসংখ্য স্বপ্ন ও প্রত্যাশা থাকে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে সেই সন্তানকে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। মায়ের কোলে সন্তানের মরদেহ ফিরে আসার চেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য আর কী হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অপ্রতীমের এই মর্মান্তিক পরিণতি শুধু একটি পরিবারের কান্নার ঘটনা নয়, বরং পুরো সমাজের জন্য একটি বড় সতর্কসংকেত। একটি শিশু নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ঘরে ফিরতে না পারলে দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবনতিতে দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন।
অপ্রতীমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ দ্রুত বের করার দাবি জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এ ঘটনায় কারা জড়িত, কী কারণে এমন নির্মম ঘটনা ঘটেছে এবং এর পেছনে কোনো অপরাধীচক্র কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, আবার প্রকৃত অপরাধীরাও যেন আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে। সন্দেহভাজনদের ক্ষেত্রে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রকৃত দায়ীদের দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দাবি জানিয়ে বলেন, অপ্রতীমের মতো আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়। অপ্রতীমের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং প্রচলিত আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শিশু-কিশোরসহ দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে অপ্রতীমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করে বের করা এবং এর সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান।
শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অপ্রতীমের মা ড. নাহিদা বেগম, বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার এবং স্বজনদের এই অসহনীয় শোক সহ্য করার শক্তি দিতে তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন। একই সঙ্গে অপ্রতীমের রূহের মাগফিরাত ও শাহাদা কামনা করেন তিনি।
তিনি বলেন, কৈশোরের আনন্দময় সময়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য যে শিশুটি ঘর থেকে বের হয়েছিল, তাকে আর জীবিত অবস্থায় ফিরে আসতে দেওয়া হয়নি। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় কোনো বিবেকবান মানুষের পক্ষেই নির্বিকার থাকা সম্ভব নয়।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অপ্রতীম ছিল তার মা-বাবার একমাত্র সন্তান এবং তাদের স্বপ্ন ও ভালোবাসার কেন্দ্র। একটি সন্তানকে ঘিরে মা-বাবার অসংখ্য স্বপ্ন ও প্রত্যাশা থাকে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে সেই সন্তানকে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। মায়ের কোলে সন্তানের মরদেহ ফিরে আসার চেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য আর কী হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অপ্রতীমের এই মর্মান্তিক পরিণতি শুধু একটি পরিবারের কান্নার ঘটনা নয়, বরং পুরো সমাজের জন্য একটি বড় সতর্কসংকেত। একটি শিশু নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ঘরে ফিরতে না পারলে দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবনতিতে দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন।
অপ্রতীমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ দ্রুত বের করার দাবি জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এ ঘটনায় কারা জড়িত, কী কারণে এমন নির্মম ঘটনা ঘটেছে এবং এর পেছনে কোনো অপরাধীচক্র কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, আবার প্রকৃত অপরাধীরাও যেন আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে। সন্দেহভাজনদের ক্ষেত্রে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রকৃত দায়ীদের দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দাবি জানিয়ে বলেন, অপ্রতীমের মতো আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়। অপ্রতীমের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং প্রচলিত আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শিশু-কিশোরসহ দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন