শনিবার বিকেল ৫টায় বগুড়ার মাটিডালি বিমান মোড়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সারের দাম বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটও চরমে পৌঁছেছে। একজন মন্ত্রী বলেছেন, বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই, বরং তার লম্বা হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়। এমন অবাস্তব বক্তব্য লজ্জার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকার জুলাই আন্দোলনের সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে এবং আট দফা দাবি মেনে না নিলে এক দফার আন্দোলনে যাওয়া হবে। তবে আট দফা দাবি মেনে নেওয়া হলে এক দফার আন্দোলনের প্রয়োজন হবে না। দাবি পূরণ না হলে এক দফার আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা থেকে সড়কপথে রংপুরের দিকে যাত্রা করা লংমার্চের গাড়িবহর বগুড়ায় পৌঁছালে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতাকর্মীরা তাদের স্বাগত জানান। মাটিডালি বিমান মোড়ের পথসভা পরে বড় সমাবেশে পরিণত হয়। বগুড়া থেকে শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে নেতাকর্মীরা লংমার্চে যোগ দেন।
গণভোট প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ৭০ শতাংশ জনগণ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে রায় দিয়েছে। আপনারা গণভোট চেয়েছেন, আমরাও চেয়েছি। তাহলে আপনারা জায়গা পরিবর্তন করলেন কেন? জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে সরকার গঠন করেও আপনারা জুলাইয়ের সনদ বাস্তবায়ন করেননি।
চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, নতুন সংবিধানে লিখিত পরীক্ষার তুলনায় ভাইভায় দ্বিগুণ নম্বর রাখা হচ্ছে দলীয় ক্যাডার ও সন্ত্রাসীদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য। ২০২৪ সালের আন্দোলনে তাদের সন্তানরা চাকরির অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈষম্য দূর করার প্রয়োজনে তারা আবারও জীবন দিতে প্রস্তুত।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানান জামায়াত আমির। তিনি বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার ১৩ বছর বয়সী সন্তান নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তারা নিজেদের সন্তানদের নিরাপত্তা চান। কিন্তু দুঃখের বিষয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও নিজের মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে খোঁজ রাখতে পারেন না।
সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এবারের লংমার্চ ঢাকা থেকে রংপুরের দিকে হয়েছে। আগামী লংমার্চ হবে পঞ্চগড় থেকে ঢাকার দিকে। কোনো ধরনের হুমকি-ধমকি কিংবা নাটকের তারা পরোয়া করেন না। জনগণের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না।
এর আগে লংমার্চের গাড়িবহর সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হয়ে বগুড়ার চান্দাইকোনায় পৌঁছালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাদের স্বাগত জানান। লংমার্চে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, খেলাফত মজলিসসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
মাটিডালির পথসভা শেষ করে লংমার্চের গাড়িবহর রংপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার বিকেল ৫টায় বগুড়ার মাটিডালি বিমান মোড়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সারের দাম বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটও চরমে পৌঁছেছে। একজন মন্ত্রী বলেছেন, বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই, বরং তার লম্বা হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়। এমন অবাস্তব বক্তব্য লজ্জার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকার জুলাই আন্দোলনের সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে এবং আট দফা দাবি মেনে না নিলে এক দফার আন্দোলনে যাওয়া হবে। তবে আট দফা দাবি মেনে নেওয়া হলে এক দফার আন্দোলনের প্রয়োজন হবে না। দাবি পূরণ না হলে এক দফার আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা থেকে সড়কপথে রংপুরের দিকে যাত্রা করা লংমার্চের গাড়িবহর বগুড়ায় পৌঁছালে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতাকর্মীরা তাদের স্বাগত জানান। মাটিডালি বিমান মোড়ের পথসভা পরে বড় সমাবেশে পরিণত হয়। বগুড়া থেকে শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে নেতাকর্মীরা লংমার্চে যোগ দেন।
গণভোট প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ৭০ শতাংশ জনগণ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে রায় দিয়েছে। আপনারা গণভোট চেয়েছেন, আমরাও চেয়েছি। তাহলে আপনারা জায়গা পরিবর্তন করলেন কেন? জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে সরকার গঠন করেও আপনারা জুলাইয়ের সনদ বাস্তবায়ন করেননি।
চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, নতুন সংবিধানে লিখিত পরীক্ষার তুলনায় ভাইভায় দ্বিগুণ নম্বর রাখা হচ্ছে দলীয় ক্যাডার ও সন্ত্রাসীদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য। ২০২৪ সালের আন্দোলনে তাদের সন্তানরা চাকরির অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈষম্য দূর করার প্রয়োজনে তারা আবারও জীবন দিতে প্রস্তুত।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানান জামায়াত আমির। তিনি বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার ১৩ বছর বয়সী সন্তান নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তারা নিজেদের সন্তানদের নিরাপত্তা চান। কিন্তু দুঃখের বিষয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও নিজের মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে খোঁজ রাখতে পারেন না।
সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এবারের লংমার্চ ঢাকা থেকে রংপুরের দিকে হয়েছে। আগামী লংমার্চ হবে পঞ্চগড় থেকে ঢাকার দিকে। কোনো ধরনের হুমকি-ধমকি কিংবা নাটকের তারা পরোয়া করেন না। জনগণের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না।
এর আগে লংমার্চের গাড়িবহর সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হয়ে বগুড়ার চান্দাইকোনায় পৌঁছালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাদের স্বাগত জানান। লংমার্চে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, খেলাফত মজলিসসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
মাটিডালির পথসভা শেষ করে লংমার্চের গাড়িবহর রংপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন