চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সরকারি অনুদানে নির্মিত একটি বাড়ির বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে সরেশ নামে এক ব্যক্তিকে দেওয়া বাড়িটি নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি অনুদানে নির্মিত বাড়িটি যে জমিতে করা হয়েছে, সেটিও ওই ব্যক্তির নিজস্ব। শুধু তাই নয়, তার নিজস্ব জমিতে আগে থেকেই একটি তিনতলা মাটির বাড়ি রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তারা। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তার জন্য তাকে কীভাবে নির্বাচন করা হলো—এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
তাদের অভিযোগ, সরকারি সহায়তার বাড়ি সাধারণত অসচ্ছল, ভূমিহীন, গৃহহীন বা প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার কথা। কিন্তু নিজস্ব জমি ও বসতবাড়ি থাকা একজন ব্যক্তি কীভাবে এ সুবিধা পেলেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বাড়িটি নির্মাণের পর থেকে সেটি নিয়মিত ব্যবহার করা হচ্ছে না; অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত বাড়িটির বর্তমান ব্যবহার ও বরাদ্দের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরেজমিন তদন্ত করা হোক। সুবিধাভোগী নির্বাচনের সময় জমি, বসতবাড়ি, আর্থিক অবস্থা ও প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা হয়েছিল কি না, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তদন্তে কোনো অনিয়ম বা নীতিমালা লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সরকারি বাড়িটি প্রকৃত অসহায় পরিবারের কাজে লাগানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগী ও স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সরকারি অনুদানে নির্মিত একটি বাড়ির বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে সরেশ নামে এক ব্যক্তিকে দেওয়া বাড়িটি নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি অনুদানে নির্মিত বাড়িটি যে জমিতে করা হয়েছে, সেটিও ওই ব্যক্তির নিজস্ব। শুধু তাই নয়, তার নিজস্ব জমিতে আগে থেকেই একটি তিনতলা মাটির বাড়ি রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তারা। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তার জন্য তাকে কীভাবে নির্বাচন করা হলো—এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
তাদের অভিযোগ, সরকারি সহায়তার বাড়ি সাধারণত অসচ্ছল, ভূমিহীন, গৃহহীন বা প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার কথা। কিন্তু নিজস্ব জমি ও বসতবাড়ি থাকা একজন ব্যক্তি কীভাবে এ সুবিধা পেলেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বাড়িটি নির্মাণের পর থেকে সেটি নিয়মিত ব্যবহার করা হচ্ছে না; অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত বাড়িটির বর্তমান ব্যবহার ও বরাদ্দের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরেজমিন তদন্ত করা হোক। সুবিধাভোগী নির্বাচনের সময় জমি, বসতবাড়ি, আর্থিক অবস্থা ও প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা হয়েছিল কি না, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তদন্তে কোনো অনিয়ম বা নীতিমালা লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সরকারি বাড়িটি প্রকৃত অসহায় পরিবারের কাজে লাগানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগী ও স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

আপনার মতামত লিখুন