ঢাকা    সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

রাজনীতি

নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহৃত হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখার আহ্বান ইশরাকের

নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহৃত হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখার আহ্বান ইশরাকের
নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহৃত হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখার আহ্বান ইশরাকের

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, গণহত্যার ঘটনায় জড়িত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার মৃত্যুদণ্ডের আদেশের পর একটি মহল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেন, খুনি হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তার নেতাকর্মীরাও পালিয়েছে। তবে তাদের রেখে যাওয়া বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পরিবহনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বর্তমানে কারা পরিচালনা করছে এবং এসব প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত অর্থ নাশকতা ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হচ্ছে কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

বিরোধী দলের প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, বর্তমানে যারা বিরোধী দলের অবস্থানে রয়েছে, ’৭১ সালে তারা বাংলাদেশকে অস্বীকার করেছিল। সেই ঘাতক-দালাল-রাজাকাররা বাংলাদেশ চায়নি। তবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তারা বিরোধী দলের আসনে বসেছে। তাই তাদের যতটুকু সম্মান প্রাপ্য, ততটুকু সম্মান দিতে চান তারা।

তিনি আরও বলেন, লং মার্চের নামে তারা গাড়ি নিয়ে শোভাযাত্রা করছে। কিন্তু এসব কর্মসূচির মঞ্চ থেকে ফ্যাসিবাদী খুনি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে কোনো বক্তব্য দিতে দেখা যায়নি।

ইশরাক হোসেন বলেন, একদিকে বিরোধী দল বলছে, তারা তাদের পতনের দাবিতে আন্দোলন করছে। অন্যদিকে পলাতক খুনি স্বৈরাচারী হাসিনা দিল্লিতে বসে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকারকে অস্থিতিশীল করে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছেন। তাহলে তাদের মধ্যে কোনো যোগসাজশ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন ওঠে। তিনি মনে করেন, এমন যোগসাজশ থাকলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, বিএনপি নেতা নবী উল্লাহ নবী, রফিকুল ইসলাম রাসেলসহ অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহৃত হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখার আহ্বান ইশরাকের

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, গণহত্যার ঘটনায় জড়িত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার মৃত্যুদণ্ডের আদেশের পর একটি মহল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেন, খুনি হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তার নেতাকর্মীরাও পালিয়েছে। তবে তাদের রেখে যাওয়া বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পরিবহনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বর্তমানে কারা পরিচালনা করছে এবং এসব প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত অর্থ নাশকতা ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হচ্ছে কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

বিরোধী দলের প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, বর্তমানে যারা বিরোধী দলের অবস্থানে রয়েছে, ’৭১ সালে তারা বাংলাদেশকে অস্বীকার করেছিল। সেই ঘাতক-দালাল-রাজাকাররা বাংলাদেশ চায়নি। তবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তারা বিরোধী দলের আসনে বসেছে। তাই তাদের যতটুকু সম্মান প্রাপ্য, ততটুকু সম্মান দিতে চান তারা।

তিনি আরও বলেন, লং মার্চের নামে তারা গাড়ি নিয়ে শোভাযাত্রা করছে। কিন্তু এসব কর্মসূচির মঞ্চ থেকে ফ্যাসিবাদী খুনি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে কোনো বক্তব্য দিতে দেখা যায়নি।

ইশরাক হোসেন বলেন, একদিকে বিরোধী দল বলছে, তারা তাদের পতনের দাবিতে আন্দোলন করছে। অন্যদিকে পলাতক খুনি স্বৈরাচারী হাসিনা দিল্লিতে বসে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকারকে অস্থিতিশীল করে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছেন। তাহলে তাদের মধ্যে কোনো যোগসাজশ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন ওঠে। তিনি মনে করেন, এমন যোগসাজশ থাকলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, বিএনপি নেতা নবী উল্লাহ নবী, রফিকুল ইসলাম রাসেলসহ অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সূত্র: আমার দেশ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহৃত হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখার আহ্বান ইশরাকের
0:00 0:00
1.0x