ঢাকা    শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

রাজনীতি

জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের

জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের
জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের

জ্বালানি তেলের বাড়ানো দামকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে তা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সংকট মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে রাষ্ট্রের ব্যয় পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বিকল্প সমাধান বের করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার মূল্য আবারও দেশের ১৮ কোটি মানুষকে দিতে হচ্ছে। সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও সৃজনশীল বিকল্প বের না করে বিএনপি সরকার সরাসরি জনগণের ওপর অসহনীয় বোঝা চাপিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম জানান, সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বালানির মূল্য বাড়ানোর কারণ হিসেবে সরকার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরছে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে।

তবে জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে সরকার সর্বোচ্চ ৩২ শতাংশ পর্যন্ত বিভিন্ন কর ও শুল্ক আদায় করছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন করেন, চলমান সংকটে নাগরিকদের ওপর চাপ কমাতে অন্তত সাময়িকভাবে এসব কর ও শুল্ক কমানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলো না কেন?

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও বলেন, জ্বালানির দাম বাড়িয়ে সরকার বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করতে চলতি অর্থবছরে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং দেশের অর্থনীতির ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের সময়ে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নকে কেন এতটা জরুরি করা হয়েছে, সে প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পে স্কেল স্থগিত রাখা হয়নি কেন, সেই প্রশ্নও করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সংকটের কারণ দেখিয়ে যদি জনগণের ওপর অতিরিক্ত ব্যয় চাপানো যায়, তাহলে রাষ্ট্রের অন্যান্য ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে না কেন?

জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জ্বালানি তেলের বাড়ানো দামকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে তা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সংকট মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে রাষ্ট্রের ব্যয় পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বিকল্প সমাধান বের করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার মূল্য আবারও দেশের ১৮ কোটি মানুষকে দিতে হচ্ছে। সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও সৃজনশীল বিকল্প বের না করে বিএনপি সরকার সরাসরি জনগণের ওপর অসহনীয় বোঝা চাপিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম জানান, সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বালানির মূল্য বাড়ানোর কারণ হিসেবে সরকার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরছে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে।

তবে জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে সরকার সর্বোচ্চ ৩২ শতাংশ পর্যন্ত বিভিন্ন কর ও শুল্ক আদায় করছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন করেন, চলমান সংকটে নাগরিকদের ওপর চাপ কমাতে অন্তত সাময়িকভাবে এসব কর ও শুল্ক কমানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলো না কেন?

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও বলেন, জ্বালানির দাম বাড়িয়ে সরকার বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করতে চলতি অর্থবছরে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং দেশের অর্থনীতির ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের সময়ে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নকে কেন এতটা জরুরি করা হয়েছে, সে প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পে স্কেল স্থগিত রাখা হয়নি কেন, সেই প্রশ্নও করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সংকটের কারণ দেখিয়ে যদি জনগণের ওপর অতিরিক্ত ব্যয় চাপানো যায়, তাহলে রাষ্ট্রের অন্যান্য ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে না কেন?

জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

সূত্র: ইত্তেফাক


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের
0:00 0:00
1.0x