হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক এবং জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা কষ্ট পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান রফিকুল ইসলাম মাদানী।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন—ফজলুর রহমান, রুমিন ফারহানা বা অন্য কেউ বক্তব্য দিলে যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না, হাসনাতের ক্ষেত্রে হুজুররা সেভাবে ‘চেতেছে’। এর মাধ্যমে ‘ফান্ডিং আন্দোলন’ করা হচ্ছে—এমন ধারণা দেওয়ারও চেষ্টা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এর জবাবে মাদানী প্রশ্ন করেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের ডাকে ‘বাই রাজুতে আসেন’ বলার পর কোনো মাদ্রাসাছাত্র শাহবাগে গিয়েছিল কি না। একইভাবে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে কার আহ্বানে স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছিল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে তার যোগাযোগের প্রসঙ্গে মাদানী বলেন, একদিন হাসনাত তাকে ফোন করে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিতে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিষয়টি তাকে অবাক করেছিল, কারণ হাসনাত তার ফোন নম্বর কোথা থেকে পেয়েছিলেন, তা তিনি জানতেন না।
মাদানী বলেন, পরে সঙ্গে থাকা লোকজনকে নিয়ে তিনি ঢাকায় যান। সেখানে শাহবাগে অনেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকেও উপস্থিত দেখতে পান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাসনাতের আমন্ত্রণে তার বাড়িতে আয়োজিত মাহফিলেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন বলে জানান।
অন্যদিকে রুমিন ফারহানা ও ফজলুর রহমানকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন মাদানী। তাদের ‘বাইরের এজেন্ট’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের মতো লোক পায়ে ধরে সারাদিন পড়ে থাকলেও তারা কোথাও যাবেন না। তাদের বাইরের এজেন্ট মনে করেন তারা। তাদের বক্তব্যের প্রতিবাদ কখনো করেন, আবার কখনো করেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মাদানী আরও দাবি করেন, হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও নাহিদ ইসলাম মাদ্রাসা কিংবা মসজিদে গেলে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের মানুষ হিসেবে মনে করেন এবং সম্মান ও ভালোবাসা দেখান।
তিনি লেখেন, ‘এখন সেই মানুষগুলো যখন সংসদের মতো জায়গায় এভাবে না জেনে, না শুনে বক্তব্য দিলে কষ্ট তো লাগবেই!’
মাদানীর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে থাকা ‘শাহবাগী মার্কা কথা বলা’ ব্যক্তিদের বক্তব্যে আলেমদের তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। কারণ, তার মতে, এসব ব্যক্তিকে তারা ‘চিহ্নিত’ হিসেবে মনে করেন।
তবে যাদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এবং যাদের সঙ্গে ভালোবাসা ও সম্পর্ক রয়েছে, তারা এমন কিছু করলে সেটিকে ‘বেঈমানী’ হিসেবে দেখেন বলে জানান মাদানী।
পোস্টের শেষ দিকে তিনি লেখেন, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!’
সূত্র: ইত্তেফাক

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক এবং জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা কষ্ট পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান রফিকুল ইসলাম মাদানী।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন—ফজলুর রহমান, রুমিন ফারহানা বা অন্য কেউ বক্তব্য দিলে যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না, হাসনাতের ক্ষেত্রে হুজুররা সেভাবে ‘চেতেছে’। এর মাধ্যমে ‘ফান্ডিং আন্দোলন’ করা হচ্ছে—এমন ধারণা দেওয়ারও চেষ্টা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এর জবাবে মাদানী প্রশ্ন করেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের ডাকে ‘বাই রাজুতে আসেন’ বলার পর কোনো মাদ্রাসাছাত্র শাহবাগে গিয়েছিল কি না। একইভাবে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে কার আহ্বানে স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছিল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে তার যোগাযোগের প্রসঙ্গে মাদানী বলেন, একদিন হাসনাত তাকে ফোন করে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিতে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিষয়টি তাকে অবাক করেছিল, কারণ হাসনাত তার ফোন নম্বর কোথা থেকে পেয়েছিলেন, তা তিনি জানতেন না।
মাদানী বলেন, পরে সঙ্গে থাকা লোকজনকে নিয়ে তিনি ঢাকায় যান। সেখানে শাহবাগে অনেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকেও উপস্থিত দেখতে পান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাসনাতের আমন্ত্রণে তার বাড়িতে আয়োজিত মাহফিলেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন বলে জানান।
অন্যদিকে রুমিন ফারহানা ও ফজলুর রহমানকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন মাদানী। তাদের ‘বাইরের এজেন্ট’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের মতো লোক পায়ে ধরে সারাদিন পড়ে থাকলেও তারা কোথাও যাবেন না। তাদের বাইরের এজেন্ট মনে করেন তারা। তাদের বক্তব্যের প্রতিবাদ কখনো করেন, আবার কখনো করেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মাদানী আরও দাবি করেন, হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও নাহিদ ইসলাম মাদ্রাসা কিংবা মসজিদে গেলে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের মানুষ হিসেবে মনে করেন এবং সম্মান ও ভালোবাসা দেখান।
তিনি লেখেন, ‘এখন সেই মানুষগুলো যখন সংসদের মতো জায়গায় এভাবে না জেনে, না শুনে বক্তব্য দিলে কষ্ট তো লাগবেই!’
মাদানীর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে থাকা ‘শাহবাগী মার্কা কথা বলা’ ব্যক্তিদের বক্তব্যে আলেমদের তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। কারণ, তার মতে, এসব ব্যক্তিকে তারা ‘চিহ্নিত’ হিসেবে মনে করেন।
তবে যাদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এবং যাদের সঙ্গে ভালোবাসা ও সম্পর্ক রয়েছে, তারা এমন কিছু করলে সেটিকে ‘বেঈমানী’ হিসেবে দেখেন বলে জানান মাদানী।
পোস্টের শেষ দিকে তিনি লেখেন, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!’
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন