শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক ৪টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত অশ্বদিয়া ইউনিয়নের দিদিমণি বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সংঘর্ষ চলে। এ ঘটনার কারণে সোনাপুর-বসুরহাট সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি ঘোষিত অশ্বদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে পদপ্রত্যাশী ও পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তা হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ সময় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাটি কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. লিয়াকত আকবর বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সূত্র: ইত্তেফাক

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক ৪টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত অশ্বদিয়া ইউনিয়নের দিদিমণি বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সংঘর্ষ চলে। এ ঘটনার কারণে সোনাপুর-বসুরহাট সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি ঘোষিত অশ্বদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে পদপ্রত্যাশী ও পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তা হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ সময় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাটি কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. লিয়াকত আকবর বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন