মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব মিডিয়া: নৈতিক দায়বদ্ধতা ও আত্মপর্যালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারটির আয়োজন করা হয়। সেখানে সোফিয়া কুতেপোভা বলেন, ইরানে আগ্রাসনের আগে সামরিক, রাজনৈতিক ও প্রচারণামূলক যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, তাতে বড় ধরনের সংঘাতের সম্ভাবনার স্পষ্ট আভাস পাওয়া গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন তাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে যতটা শক্তিশালী মনে করেছিল, বাস্তবে দেশটি তার চেয়েও বেশি শক্তিশালী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
রাশিয়ার আনুষ্ঠানিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে রুশ দূতাবাসের এই কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এবং অন্যান্য রুশ কর্মকর্তাদের বক্তব্যই তিনি পুনরায় তুলে ধরতে চান। চলমান সংঘাতের ঘটনায় রাশিয়া গভীরভাবে মর্মাহত বলেও জানান তিনি। বিশেষ করে চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় রাশিয়া ধারাবাহিকভাবে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে আসছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে সাংবাদিকতা পেশায় নিজের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান সোফিয়া কুতেপোভা। তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে সত্য তুলে ধরা। ফলে পাঠক ও দর্শকদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে যথাযথ তথ্য যাচাই বা ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে সিমনস। এ সময় আরও বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন এবং ঢাকায় নিযুক্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী। ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান শাহ মো. নিসতার জাহান কবীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
সূত্র: ইত্তেফাক/এনএন

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব মিডিয়া: নৈতিক দায়বদ্ধতা ও আত্মপর্যালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারটির আয়োজন করা হয়। সেখানে সোফিয়া কুতেপোভা বলেন, ইরানে আগ্রাসনের আগে সামরিক, রাজনৈতিক ও প্রচারণামূলক যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, তাতে বড় ধরনের সংঘাতের সম্ভাবনার স্পষ্ট আভাস পাওয়া গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন তাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে যতটা শক্তিশালী মনে করেছিল, বাস্তবে দেশটি তার চেয়েও বেশি শক্তিশালী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
রাশিয়ার আনুষ্ঠানিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে রুশ দূতাবাসের এই কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এবং অন্যান্য রুশ কর্মকর্তাদের বক্তব্যই তিনি পুনরায় তুলে ধরতে চান। চলমান সংঘাতের ঘটনায় রাশিয়া গভীরভাবে মর্মাহত বলেও জানান তিনি। বিশেষ করে চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় রাশিয়া ধারাবাহিকভাবে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে আসছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে সাংবাদিকতা পেশায় নিজের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান সোফিয়া কুতেপোভা। তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে সত্য তুলে ধরা। ফলে পাঠক ও দর্শকদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে যথাযথ তথ্য যাচাই বা ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে সিমনস। এ সময় আরও বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন এবং ঢাকায় নিযুক্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী। ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান শাহ মো. নিসতার জাহান কবীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
সূত্র: ইত্তেফাক/এনএন

আপনার মতামত লিখুন