তিতাসের জগৎপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর এলাকার একটি এনজিও কার্যালয়কে কেন্দ্র করে এক প্রবাসীর স্ত্রী ও এনজিও কর্মকর্তা সাকিব নামের এক ব্যক্তির অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, চরকুমারীয়া গ্রামের এক নারী, যিনি বর্তমানে সাতানী গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীরূপে বসবাস করছেন, তিনি বাগেরহাটের বাসিন্দা ও এনজিওটির ক্যাশিয়ার সজিব/সাকিব নামের কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। সম্পর্কের একপর্যায়ে উক্ত কর্মকর্তা কৌশলে তাদের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইমোতে চ্যাটিংয়ের সময়ও উক্ত নারী আপত্তিকর অবস্থায় ভিডিও কলে যুক্ত হতেন।
পরবর্তীতে এসব তথ্য ও প্রমাণ উক্ত নারীর প্রবাসী স্বামী মামুনের গোচরে আসে। তবে বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আসার পরও প্রবাস ফেরত স্বামী মামুন ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রামে ওই প্রবাসী স্বামীর নিজস্ব কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণেও পুরো ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে এনজিও কর্মকর্তা সাকিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উক্ত নারী টাকার লোভে তাকে স্বামী পরিচয় দিয়ে সন্তানসহ কক্সবাজার ও সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে নিয়ে গেছেন।
পরবর্তীতে ওই নারীর একাধিক সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পেরে সাকিব নিজে থেকেই সেখান থেকে সরে আসেন এবং চাকরি ছেড়ে দেন।
তবে এ বিষয়ে এনজিও ম্যানেজারের সাথে কথা বললে তিনি ভিন্ন তথ্য দেন
তিনি জানান, ক্যাশিয়ার সাকিব অনৈতিক কোনো কারণে নয়, বরং ক্যাশের টাকা নিয়মিত শর্ট পড়ার কারণে তাকে জাবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়। পরবর্তীতে সমিতির কেন্দ্রীয় নিয়ম অনুযায়ী তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়
সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের এমন ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
তিতাসের জগৎপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর এলাকার একটি এনজিও কার্যালয়কে কেন্দ্র করে এক প্রবাসীর স্ত্রী ও এনজিও কর্মকর্তা সাকিব নামের এক ব্যক্তির অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, চরকুমারীয়া গ্রামের এক নারী, যিনি বর্তমানে সাতানী গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীরূপে বসবাস করছেন, তিনি বাগেরহাটের বাসিন্দা ও এনজিওটির ক্যাশিয়ার সজিব/সাকিব নামের কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। সম্পর্কের একপর্যায়ে উক্ত কর্মকর্তা কৌশলে তাদের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইমোতে চ্যাটিংয়ের সময়ও উক্ত নারী আপত্তিকর অবস্থায় ভিডিও কলে যুক্ত হতেন।
পরবর্তীতে এসব তথ্য ও প্রমাণ উক্ত নারীর প্রবাসী স্বামী মামুনের গোচরে আসে। তবে বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আসার পরও প্রবাস ফেরত স্বামী মামুন ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রামে ওই প্রবাসী স্বামীর নিজস্ব কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণেও পুরো ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে এনজিও কর্মকর্তা সাকিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উক্ত নারী টাকার লোভে তাকে স্বামী পরিচয় দিয়ে সন্তানসহ কক্সবাজার ও সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে নিয়ে গেছেন।
পরবর্তীতে ওই নারীর একাধিক সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পেরে সাকিব নিজে থেকেই সেখান থেকে সরে আসেন এবং চাকরি ছেড়ে দেন।
তবে এ বিষয়ে এনজিও ম্যানেজারের সাথে কথা বললে তিনি ভিন্ন তথ্য দেন
তিনি জানান, ক্যাশিয়ার সাকিব অনৈতিক কোনো কারণে নয়, বরং ক্যাশের টাকা নিয়মিত শর্ট পড়ার কারণে তাকে জাবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়। পরবর্তীতে সমিতির কেন্দ্রীয় নিয়ম অনুযায়ী তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়
সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের এমন ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন