তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে আর কোনো টালবাহানা না করে দ্রুত বিভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। ১৯৯৪ সাল থেকেই কুমিল্লাবাসী এ দাবিতে সোচ্চার। তাই ‘কুমিল্লা’ নামেই দ্রুত বিভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে।
শনিবার কুমিল্লায় লংমার্চ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।
সমাবেশে তিনি কুমিল্লার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা তুলে ধরে বলেন, কুমিল্লার মানুষ ঠিকমতো গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি পাচ্ছেন কি না—সেটিও ভাবতে হবে। চাঁদাবাজি ছাড়া ব্যবসা করা সম্ভব হচ্ছে কি না, কুমিল্লায় দুর্নীতি রয়েছে কি না এবং জনগণ দুর্নীতিমুক্ত সমাজ দেখতে চান কি না—এসব প্রশ্নও তিনি করেন।
দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জনদুর্ভোগের অবসানসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে রাজপথে নামার কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যেই তারা রাস্তায় নেমেছেন। তিনি উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে জানতে চান, তারা সমাধান চান কি না। দুর্নীতি ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলেও জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দাবির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। সব দাবি আদায় করেই তারা ঘরে ফিরবেন।
কুমিল্লার সঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদের সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, খন্দকার মোশতাকের বাড়ি কুমিল্লায় হওয়ায় যদি কুমিল্লার প্রতি কোনো ধরনের বিরূপ মনোভাব দেখানো হয়ে থাকে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো জেলা বা অঞ্চলের মানুষকে অবহেলা কিংবা অপমান করা হলে ওই অঞ্চলের মানুষের মনে কষ্ট সৃষ্টি হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াত আমির। সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন কিছু বলেন না? তিনি তো সংসদে সব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ নিজের মন্ত্রণালয়েরই কোনো খবর নেই—আমরা আর কী বলব!
তিনি আরও বলেন, বিএনপির সিনিয়র নেতা বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দেশে নাকি মাদকের জয়জয়কার চলছে এবং এসব মাদক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়েই আসছে। কিন্তু তিনি নিজের বাড়ির মাদকের চালানই বন্ধ করতে পারছেন না, অথচ সব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে বসে আছেন।
কুমিল্লায় আয়োজিত লংমার্চ কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক এবং জামায়াতের নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ড. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
এ ছাড়া সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আবদুল হালিমসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে আর কোনো টালবাহানা না করে দ্রুত বিভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। ১৯৯৪ সাল থেকেই কুমিল্লাবাসী এ দাবিতে সোচ্চার। তাই ‘কুমিল্লা’ নামেই দ্রুত বিভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে।
শনিবার কুমিল্লায় লংমার্চ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।
সমাবেশে তিনি কুমিল্লার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা তুলে ধরে বলেন, কুমিল্লার মানুষ ঠিকমতো গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি পাচ্ছেন কি না—সেটিও ভাবতে হবে। চাঁদাবাজি ছাড়া ব্যবসা করা সম্ভব হচ্ছে কি না, কুমিল্লায় দুর্নীতি রয়েছে কি না এবং জনগণ দুর্নীতিমুক্ত সমাজ দেখতে চান কি না—এসব প্রশ্নও তিনি করেন।
দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জনদুর্ভোগের অবসানসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে রাজপথে নামার কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যেই তারা রাস্তায় নেমেছেন। তিনি উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে জানতে চান, তারা সমাধান চান কি না। দুর্নীতি ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলেও জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দাবির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। সব দাবি আদায় করেই তারা ঘরে ফিরবেন।
কুমিল্লার সঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদের সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, খন্দকার মোশতাকের বাড়ি কুমিল্লায় হওয়ায় যদি কুমিল্লার প্রতি কোনো ধরনের বিরূপ মনোভাব দেখানো হয়ে থাকে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো জেলা বা অঞ্চলের মানুষকে অবহেলা কিংবা অপমান করা হলে ওই অঞ্চলের মানুষের মনে কষ্ট সৃষ্টি হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াত আমির। সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন কিছু বলেন না? তিনি তো সংসদে সব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ নিজের মন্ত্রণালয়েরই কোনো খবর নেই—আমরা আর কী বলব!
তিনি আরও বলেন, বিএনপির সিনিয়র নেতা বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দেশে নাকি মাদকের জয়জয়কার চলছে এবং এসব মাদক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়েই আসছে। কিন্তু তিনি নিজের বাড়ির মাদকের চালানই বন্ধ করতে পারছেন না, অথচ সব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে বসে আছেন।
কুমিল্লায় আয়োজিত লংমার্চ কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক এবং জামায়াতের নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ড. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
এ ছাড়া সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আবদুল হালিমসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন