ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

সারাদেশ

চাঁদা দাবির অভিযোগ প্রত্যাহার, পৌর কর্মকর্তা ও মাহবুবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাইলেন ক্লিনিক মালিক

চাঁদা দাবির অভিযোগ প্রত্যাহার, পৌর কর্মকর্তা ও মাহবুবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাইলেন ক্লিনিক মালিক

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে কার্যক্রম চলমান ডে-নাইট ক্লিনিকে সন্ত্রাসীদের চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগে দেওয়া আবেদন প্রত্যাহার করেছেন ক্লিনিকটির মালিকপক্ষের নাজনীন আক্তার। একই সঙ্গে তাঁর অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে অভিযোগপত্র তৈরি ও জমা দেওয়ার অভিযোগে ফরিদপুর পৌরসভার কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণ ও মাহবুব নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া আবেদন প্রত্যাহারের জন্য সম্প্রতি একটি লিখিত আবেদন করা হয়েছে। ওই আবেদনে নাজনীন আক্তার দাবি করেন, মিজানুর রহমান মিনান, টিটু মিয়া, স্বপন মাহমুদ, মুনায়েমসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগে যে আবেদন করা হয়েছিল, সেটি তিনি জেনে-বুঝে করেননি।

লিখিত আবেদনে নাজনীন আক্তার বলেন, তাঁর স্বামী মো. শফিকুল আলম ট্যাক্স-ফাইল সংক্রান্ত কাজে ডিসি অফিসে গেলে সেখানে মাহবুব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর কথা হয়। মাহবুব ট্যাক্সের কাজ সহজে করে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে ফরিদপুর পৌরসভা কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণের কক্ষে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নাজনীন আক্তারের দাবি, সেখানে মাহবুব একটি অভিযোগপত্র তৈরি করে প্রিন্ট করেন এবং তাঁকে ফোন করে ওই কক্ষে ডেকে নেন। বয়সজনিত কারণে তাঁর দৃষ্টিশক্তি কম হওয়ায় অভিযোগপত্রটি তাঁকে পড়তে না দিয়ে তাড়াহুড়ো করে তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে ওই কাগজ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলে বিষয়টি তাঁর নজরে আসে বলে আবেদনে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, পরে জানতে পারেন, মাহবুব অভিযোগপত্রটির ছবি তুলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন। এতে সামাজিকভাবে তাঁর ও তাঁর পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আবেদনে নাজনীন আক্তার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, অভিযোগপত্রে যাঁদের নাম দেওয়া হয়েছে, তাঁরা তাঁর কাছে কখনো চাঁদা দাবি বা হুমকি দেননি। তাঁর অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে অভিযোগপত্র তৈরি করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ অবস্থায় পূর্বে দেওয়া চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগটি প্রত্যাহার করে পৌর কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণ ও মাহবুবের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন নাজনীন আক্তার।

তবে এ বিষয়ে পৌর কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণ ও মাহবুবের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


চাঁদা দাবির অভিযোগ প্রত্যাহার, পৌর কর্মকর্তা ও মাহবুবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাইলেন ক্লিনিক মালিক

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে কার্যক্রম চলমান ডে-নাইট ক্লিনিকে সন্ত্রাসীদের চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগে দেওয়া আবেদন প্রত্যাহার করেছেন ক্লিনিকটির মালিকপক্ষের নাজনীন আক্তার। একই সঙ্গে তাঁর অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে অভিযোগপত্র তৈরি ও জমা দেওয়ার অভিযোগে ফরিদপুর পৌরসভার কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণ ও মাহবুব নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।


এ বিষয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া আবেদন প্রত্যাহারের জন্য সম্প্রতি একটি লিখিত আবেদন করা হয়েছে। ওই আবেদনে নাজনীন আক্তার দাবি করেন, মিজানুর রহমান মিনান, টিটু মিয়া, স্বপন মাহমুদ, মুনায়েমসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগে যে আবেদন করা হয়েছিল, সেটি তিনি জেনে-বুঝে করেননি।


লিখিত আবেদনে নাজনীন আক্তার বলেন, তাঁর স্বামী মো. শফিকুল আলম ট্যাক্স-ফাইল সংক্রান্ত কাজে ডিসি অফিসে গেলে সেখানে মাহবুব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর কথা হয়। মাহবুব ট্যাক্সের কাজ সহজে করে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে ফরিদপুর পৌরসভা কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণের কক্ষে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।


নাজনীন আক্তারের দাবি, সেখানে মাহবুব একটি অভিযোগপত্র তৈরি করে প্রিন্ট করেন এবং তাঁকে ফোন করে ওই কক্ষে ডেকে নেন। বয়সজনিত কারণে তাঁর দৃষ্টিশক্তি কম হওয়ায় অভিযোগপত্রটি তাঁকে পড়তে না দিয়ে তাড়াহুড়ো করে তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে ওই কাগজ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলে বিষয়টি তাঁর নজরে আসে বলে আবেদনে উল্লেখ করেন তিনি।


তিনি আরও দাবি করেন, পরে জানতে পারেন, মাহবুব অভিযোগপত্রটির ছবি তুলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন। এতে সামাজিকভাবে তাঁর ও তাঁর পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


আবেদনে নাজনীন আক্তার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, অভিযোগপত্রে যাঁদের নাম দেওয়া হয়েছে, তাঁরা তাঁর কাছে কখনো চাঁদা দাবি বা হুমকি দেননি। তাঁর অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে অভিযোগপত্র তৈরি করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।


এ অবস্থায় পূর্বে দেওয়া চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগটি প্রত্যাহার করে পৌর কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণ ও মাহবুবের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন নাজনীন আক্তার।


তবে এ বিষয়ে পৌর কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণ ও মাহবুবের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
চাঁদা দাবির অভিযোগ প্রত্যাহার, পৌর কর্মকর্তা ও মাহবুবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাইলেন ক্লিনিক মালিক
0:00 0:00
1.0x