মঙ্গলবার ফ্রান্সজুড়ে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে প্রায় ২ লাখ ৬৬ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু প্যারিসেই বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৬ হাজার। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষার্থীরা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্কুল অবরোধ এবং ক্লাস বর্জন করে আসছেন।
প্যারিসে বিক্ষোভের একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫০০ জনকে আটক করা হয়েছে। বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক।
কিশোরদের ওপর কাঁদানে গ্যাস, লাঠি এবং অন্যান্য দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম ব্যবহারের ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার পুলিশের স্টান গ্রেনেডের ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের হাত বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
প্রায় সব ক্ষেত্রেই পুলিশ পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিলে তখনই হস্তক্ষেপ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো শুনে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি স্কুলের আশপাশে সংঘটিত সহিংসতারও নিন্দা করেছেন তিনি।
এদিকে, আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে ফ্রান্সের রাজনীতিতে বিক্ষোভটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু হয়ে উঠেছে। শিক্ষা খাতে অর্থসংকটের পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধি, দারিদ্র্য এবং আয়বৈষম্য নিয়েও দেশটিতে অসন্তোষ বাড়ছে।
সূত্র: আমার দেশ

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার ফ্রান্সজুড়ে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে প্রায় ২ লাখ ৬৬ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু প্যারিসেই বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৬ হাজার। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষার্থীরা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্কুল অবরোধ এবং ক্লাস বর্জন করে আসছেন।
প্যারিসে বিক্ষোভের একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫০০ জনকে আটক করা হয়েছে। বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক।
কিশোরদের ওপর কাঁদানে গ্যাস, লাঠি এবং অন্যান্য দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম ব্যবহারের ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার পুলিশের স্টান গ্রেনেডের ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের হাত বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
প্রায় সব ক্ষেত্রেই পুলিশ পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিলে তখনই হস্তক্ষেপ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো শুনে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি স্কুলের আশপাশে সংঘটিত সহিংসতারও নিন্দা করেছেন তিনি।
এদিকে, আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে ফ্রান্সের রাজনীতিতে বিক্ষোভটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু হয়ে উঠেছে। শিক্ষা খাতে অর্থসংকটের পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধি, দারিদ্র্য এবং আয়বৈষম্য নিয়েও দেশটিতে অসন্তোষ বাড়ছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন