পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিরা হলেন— নারচী বিলপাড়া এলাকার নিয়ামতুল্লাহর ছেলে মো. মিজু আহম্মেদ, কালিতলা (বাগবেড়) এলাকার মো. জহুরুল ইসলামের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন (৩৫), বাগবেড় এলাকার মৃত হবিবর রহমানের ছেলে মো. সোহেল আহম্মেদ (৪০), সোনাপুর এলাকার মো. ফরহাদের ছেলে মো. শামীম, একই এলাকার মো. আদব বক্সের ছেলে মো. লিটন, মৃত মফিজের ছেলে মো. আব্দুল লতিফ এবং মৃত আজার ছেলে মো. কালু।
এ ছাড়া কালিতলা হাট এলাকার মো. আমিরুলের ছেলে মো. মিজান মিয়া, মৃত অজিত ফকিরের ছেলে মো. আমিরুল ইসলাম এবং দেবডাঙ্গা এলাকার মো. আজিজার রহমানের ছেলে মো. মোশারফ হোসেনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের সারিয়াকান্দি থানা এলাকায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ জানিয়েছে, বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বগুড়ার পুলিশ সুপারের নির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতায় জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে পুলিশ নিয়মিতভাবে পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
থানা এলাকার বিশাল পরিধি ও জনসংখ্যার তুলনায় পুলিশের জনবল সীমিত হলেও বিদ্যমান জনবল দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ, মামলা তদন্তসহ পুলিশের বিভিন্ন দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অসামাজিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে তা দ্রুত থানা পুলিশকে জানানোর জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এলাকাভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি, অপরাধ ও অপরাধীদের বিষয়ে সঠিক তথ্য প্রদান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে সারিয়াকান্দিকে আরও নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করছে পুলিশ।
এ ছাড়া তথ্য প্রদানকারীদের তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়েছে।
জনগণের সচেতনতা, সহযোগিতা ও সময়োপযোগী তথ্য অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিরা হলেন— নারচী বিলপাড়া এলাকার নিয়ামতুল্লাহর ছেলে মো. মিজু আহম্মেদ, কালিতলা (বাগবেড়) এলাকার মো. জহুরুল ইসলামের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন (৩৫), বাগবেড় এলাকার মৃত হবিবর রহমানের ছেলে মো. সোহেল আহম্মেদ (৪০), সোনাপুর এলাকার মো. ফরহাদের ছেলে মো. শামীম, একই এলাকার মো. আদব বক্সের ছেলে মো. লিটন, মৃত মফিজের ছেলে মো. আব্দুল লতিফ এবং মৃত আজার ছেলে মো. কালু।
এ ছাড়া কালিতলা হাট এলাকার মো. আমিরুলের ছেলে মো. মিজান মিয়া, মৃত অজিত ফকিরের ছেলে মো. আমিরুল ইসলাম এবং দেবডাঙ্গা এলাকার মো. আজিজার রহমানের ছেলে মো. মোশারফ হোসেনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের সারিয়াকান্দি থানা এলাকায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ জানিয়েছে, বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বগুড়ার পুলিশ সুপারের নির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতায় জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে পুলিশ নিয়মিতভাবে পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
থানা এলাকার বিশাল পরিধি ও জনসংখ্যার তুলনায় পুলিশের জনবল সীমিত হলেও বিদ্যমান জনবল দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ, মামলা তদন্তসহ পুলিশের বিভিন্ন দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অসামাজিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে তা দ্রুত থানা পুলিশকে জানানোর জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এলাকাভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি, অপরাধ ও অপরাধীদের বিষয়ে সঠিক তথ্য প্রদান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে সারিয়াকান্দিকে আরও নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করছে পুলিশ।
এ ছাড়া তথ্য প্রদানকারীদের তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়েছে।
জনগণের সচেতনতা, সহযোগিতা ও সময়োপযোগী তথ্য অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন