ঢাকা    বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

সারাদেশ

আলীকদমে ১৯৮২ সালে ভবন হলেও চালু হয়নি বিচারকাজ, ডি.ও. লেটার দিলেন প্রতিমন্ত্রী

আলীকদমে ১৯৮২ সালে ভবন হলেও চালু হয়নি বিচারকাজ, ডি.ও. লেটার দিলেন প্রতিমন্ত্রী

১৯৮২ সালে আলীকদমে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত স্থাপনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিচারিক ভবন নির্মিত হলেও অদ্যাবধি সেখানে নিয়মিত বিচারকার্য শুরু হয়নি। এই অকার্যকর ‘সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত’ (আলীকদম চৌকি) দ্রুত পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও বিশেষ সহযোগিতা চেয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এমপিকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে একটি উপানুষ্ঠানিক আধা-সরকারি পত্র (ডি.ও. লেটার) পাঠিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি।

ওই আধা-সরকারি পত্রে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে আলীকদম উপজেলার জনগণকে বিচারিক সেবার জন্য জেলা শহর বান্দরবানে প্রায় ১১১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। এই দীর্ঘ পথ যাতায়াতে বিচারপ্রার্থী মানুষের বিপুল সময়, অর্থ ও শ্রমের অপচয় ঘটছে। বিশেষ করে নারী, প্রবীণ, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য এ দূরবর্তী যাতায়াত আইনি সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ডি.ও. লেটারে আরও জানানো হয়, আলীকদমে সেনানিবাস, মডেল থানা, বিজিবি ব্যাটালিয়নসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা অবকাঠামো ইতোমধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। এছাড়া সেখানে পূর্বেই নির্মিত আদালত ভবনটি সামান্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উপযোগী করার মাধ্যমেই স্বল্প সময়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব।

উল্লেখ্য, পরিবেশ ও সামাজিক সংগঠন ‘গ্রীন পলিসি মুভমেন্ট’-এর আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন (বন্ধু)-এর আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নথি প্রেরণ করেছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রীর দপ্তরের সুপারিশসহ পত্রটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিচার শাখা-৪-এ বিবেচনার জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জনস্বার্থ, ন্যায়বিচার এবং পাহাড়ি প্রান্তিক অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বিবেচনায় আলীকদমে ‘সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত’ দ্রুত পুনঃপ্রতিষ্ঠায় আইনমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ কামনা করেছেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। আলীকদম চৌকি আদালত স্থাপনের জন্য আবেদনকারী গ্রীণ পলিসি মুভমেন্টের সদস্য সচিব ও প্রধান মুখপাত্র মোঃ মহিউদ্দিন বন্ধু জানান, আলীকদম, লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ির মতো দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের ন্যায়বিচারপ্রাপ্তি সহজ করতে স্থানীয় পর্যায়ে বিচারিক সেবা চালু করা গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


আলীকদমে ১৯৮২ সালে ভবন হলেও চালু হয়নি বিচারকাজ, ডি.ও. লেটার দিলেন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

১৯৮২ সালে আলীকদমে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত স্থাপনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিচারিক ভবন নির্মিত হলেও অদ্যাবধি সেখানে নিয়মিত বিচারকার্য শুরু হয়নি। এই অকার্যকর ‘সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত’ (আলীকদম চৌকি) দ্রুত পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও বিশেষ সহযোগিতা চেয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এমপিকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে একটি উপানুষ্ঠানিক আধা-সরকারি পত্র (ডি.ও. লেটার) পাঠিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি।


ওই আধা-সরকারি পত্রে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে আলীকদম উপজেলার জনগণকে বিচারিক সেবার জন্য জেলা শহর বান্দরবানে প্রায় ১১১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। এই দীর্ঘ পথ যাতায়াতে বিচারপ্রার্থী মানুষের বিপুল সময়, অর্থ ও শ্রমের অপচয় ঘটছে। বিশেষ করে নারী, প্রবীণ, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য এ দূরবর্তী যাতায়াত আইনি সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।


ডি.ও. লেটারে আরও জানানো হয়, আলীকদমে সেনানিবাস, মডেল থানা, বিজিবি ব্যাটালিয়নসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা অবকাঠামো ইতোমধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। এছাড়া সেখানে পূর্বেই নির্মিত আদালত ভবনটি সামান্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উপযোগী করার মাধ্যমেই স্বল্প সময়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব।


উল্লেখ্য, পরিবেশ ও সামাজিক সংগঠন ‘গ্রীন পলিসি মুভমেন্ট’-এর আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন (বন্ধু)-এর আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নথি প্রেরণ করেছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রীর দপ্তরের সুপারিশসহ পত্রটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিচার শাখা-৪-এ বিবেচনার জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।


জনস্বার্থ, ন্যায়বিচার এবং পাহাড়ি প্রান্তিক অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বিবেচনায় আলীকদমে ‘সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত’ দ্রুত পুনঃপ্রতিষ্ঠায় আইনমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ কামনা করেছেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। আলীকদম চৌকি আদালত স্থাপনের জন্য আবেদনকারী গ্রীণ পলিসি মুভমেন্টের সদস্য সচিব ও প্রধান মুখপাত্র মোঃ মহিউদ্দিন বন্ধু জানান, আলীকদম, লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ির মতো দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের ন্যায়বিচারপ্রাপ্তি সহজ করতে স্থানীয় পর্যায়ে বিচারিক সেবা চালু করা গুরুত্বপূর্ণ।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
আলীকদমে ১৯৮২ সালে ভবন হলেও চালু হয়নি বিচারকাজ, ডি.ও. লেটার দিলেন প্রতিমন্ত্রী
0:00 0:00
1.0x