কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে নামজারির নামে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
প্রতিবাদলিপিতে মো. সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম, অনলাইন পোর্টাল ও জাতীয় পত্রিকায় তাঁর বিরুদ্ধে নামজারির নামে ঘুষ গ্রহণ এবং নামজারি জালিয়াতির অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রেখে কাজ করে আসছেন। সংবাদে উল্লিখিত ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ টাকা কিংবা বিকাশের মাধ্যমে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল। তবে অভিযোগকারী নিজের ভুল বুঝতে পেরে অভিযোগপত্র প্রত্যাহার করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন বলে দাবি করেন সাইফুল ইসলাম।
নামজারিসংক্রান্ত কার্যক্রম সরকারি বিধিবিধান ও আইন অনুসরণ করেই সম্পন্ন করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনবহির্ভূত কোনো কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি মহল অসৎ উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি সাংবাদিকদের প্রতি নিরপেক্ষভাবে তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান। পাশাপাশি, প্রকাশিত অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানান এবং সর্বসাধারণকে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেন।
প্রতিবাদকারী: মো. সাইফুল ইসলাম
ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা
মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস, রাজীবপুর, কুড়িগ্রাম।
উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত বক্তব্য ও অভিযোগ অস্বীকারের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দেওয়া প্রতিবাদলিপির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে নামজারির নামে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
প্রতিবাদলিপিতে মো. সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম, অনলাইন পোর্টাল ও জাতীয় পত্রিকায় তাঁর বিরুদ্ধে নামজারির নামে ঘুষ গ্রহণ এবং নামজারি জালিয়াতির অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রেখে কাজ করে আসছেন। সংবাদে উল্লিখিত ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ টাকা কিংবা বিকাশের মাধ্যমে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল। তবে অভিযোগকারী নিজের ভুল বুঝতে পেরে অভিযোগপত্র প্রত্যাহার করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন বলে দাবি করেন সাইফুল ইসলাম।
নামজারিসংক্রান্ত কার্যক্রম সরকারি বিধিবিধান ও আইন অনুসরণ করেই সম্পন্ন করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনবহির্ভূত কোনো কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি মহল অসৎ উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি সাংবাদিকদের প্রতি নিরপেক্ষভাবে তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান। পাশাপাশি, প্রকাশিত অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানান এবং সর্বসাধারণকে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেন।
প্রতিবাদকারী: মো. সাইফুল ইসলাম
ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা
মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস, রাজীবপুর, কুড়িগ্রাম।
উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত বক্তব্য ও অভিযোগ অস্বীকারের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দেওয়া প্রতিবাদলিপির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন