কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে খুলনা জেলা দক্ষিণ শাখা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ‘অদম্য জুলাই’ শীর্ষক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাবেশের আগে সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নির্ধারিত স্থানে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে খুলনা জেলা দক্ষিণ ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহা. অয়েসকুরনি বলেন, “গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার তালবাহানা শুরু করেছে। বাংলাদেশের জনগণ গণভোটের পক্ষে থাকলেও সরকার তা বাস্তবায়নে আন্তরিক নয়। জনগণ বুঝে গেছে, সরকার কেন গণভোট বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে না।”
তিনি আরও বলেন, “আল্লামা সাঈদীর ভাষায় বলতে হয়, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে প্রকাশ্যে বোতল খাওয়া যাবে না, টেন্ডারবাজি চলবে না এবং চাঁদাবাজিরও সুযোগ থাকবে না। তাই জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সরকারকে দ্রুত গণভোটের রায় কার্যকর করতে হবে।”
বক্তারা বলেন, দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন জরুরি। একই সঙ্গে অতীতে সংঘটিত গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
সমাবেশ থেকে নেতারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে খুলনা জেলা দক্ষিণ শাখা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ‘অদম্য জুলাই’ শীর্ষক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাবেশের আগে সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নির্ধারিত স্থানে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে খুলনা জেলা দক্ষিণ ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহা. অয়েসকুরনি বলেন, “গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার তালবাহানা শুরু করেছে। বাংলাদেশের জনগণ গণভোটের পক্ষে থাকলেও সরকার তা বাস্তবায়নে আন্তরিক নয়। জনগণ বুঝে গেছে, সরকার কেন গণভোট বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে না।”
তিনি আরও বলেন, “আল্লামা সাঈদীর ভাষায় বলতে হয়, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে প্রকাশ্যে বোতল খাওয়া যাবে না, টেন্ডারবাজি চলবে না এবং চাঁদাবাজিরও সুযোগ থাকবে না। তাই জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সরকারকে দ্রুত গণভোটের রায় কার্যকর করতে হবে।”
বক্তারা বলেন, দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন জরুরি। একই সঙ্গে অতীতে সংঘটিত গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
সমাবেশ থেকে নেতারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

আপনার মতামত লিখুন